শনিবার

প্রাপ্য বিল বা প্রাপ্য নোট বলতে কি বোঝায়

প্রাপ্য বিল কি - প্রাপ্য বিল হিসাবভুক্তির নিয়ম


এখানে যা থাকছে---

  • প্রাপ্য বিল কি
  • প্রাপ্য বিল কাকে বলে
  • প্রাপ্য নোট ও প্রাপ্য বিল কি
  • প্রাপ্য বিল বলতে কি বোঝায়
  • প্রাপ্য বিলের জাবেদা
  • প্রাপ্য বিল হিসাবভুক্তির নিয়ম বা পদ্ধতি

প্রাপ্য বিল কি, প্রাপ্য বিল কাকে বলে, প্রাপ্য নোট ও প্রাপ্য বিল কি, প্রাপ্য বিল বলতে কি বোঝায়, প্রাপ্য বিলের জাবেদা, প্রাপ্য বিল হিসাবভুক্তির নিয়ম
প্রাপ্য বিল বা প্রাপ্য নোট

প্রাপ্য বিল কি বা কাকে বলেঃ

প্রাপ্য বিল (Bills Receivable) এক ধরণের বিনিময় বিল। পন্য ক্রয় বিক্রয় সহ বিভিন্ন লেনদেন সম্পন্ন করতে বিনিময় বিল প্রস্তুত করা হয়। সাধারন্ত বাকিতে পন্য বিক্রয় অথবা কাওকে শর্ত মোতাবেক অর্থ বা টাকা প্রদান করতে ক্রেতা কর্তৃক প্রস্তুত কৃত যে শর্ত যুক্ত বিল বা দলিল বিক্রেতাকে প্রদানের মাধ্যমে ক্রেতা পন্য ক্রয় করে অথবা সেবা গ্রহণ করে সেই বিল বা শর্ত যুক্ত দলিল বিক্রেতা বা বিনিয়োগকারীর নিকট প্রাপ্য বিল। উদাহরণ হিসেবে বলতে গেলে, রোদেলা এন্টার প্রাইজ লিখন এন্টার প্রাইজের নিকট থেকে বাকিতে পন্য ক্রয় করতে চাই, লিখন এন্টার প্রাইজ শর্ত দিলো যে সে বাকিতে পন্য দেবে তবে শর্ত হলো এটি দলিলে বা বিল আকারে স্টাম্পে লিখিত হতে হবে যাতে ভবিষ্যতে টাকা নিয়ে নয় ছয় না হয় বা টাকা আদায় করতে কোনো প্রকার ঝামেলা না হয়। রোদেলা এন্টার প্রাইজ ৩ মাস পর বাকিতে ক্রয় কৃত পন্যের মূল্য পরিশোধ করার শর্তে স্ট্যাম্পে লিখিত ভাবে সম্মতি ও স্বাক্ষর প্রদান করে সেই সম্মতি বিল বা দলিল লিখন এন্টার প্রাইজের নিকট প্রদান করে বাকিতে পন্য ক্রয় করলো। লিখন এন্টার প্রাইজ বিলের কাগজ বা দলিল গ্রহণ করে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করে রাখলো। এই বিল বা দলিল প্রাপ্য বা দেনাদারের মত কাজ করে বিধায় একে প্রাপ্য বিল বলে। অন্য ভাবে বলা যায়, যেহেতু বাকিতে পন্য বা সেবা বিক্রি করে ক্রেতা বা গ্রহীতার নিকট থেকে বিক্রেতা বিল বা দলিল গ্রহণ করে তাই বিক্রেতার নিকট এই বিল বা দলিল প্রাপ্য বিল। অর্থাৎ বিনিময় বিলের যে বিল বা দলিল ক্রেতা তৈরী করে বিক্রেতাকে প্রদানের মাধ্যমে বাকিতে পন্য ক্রয় করে সেই বিল বিক্রেতার নিকট প্রাপ্য বিল। 



প্রাপ্য বিলের নামকরণঃ

প্রাপ্য বিল কে অনেক সময় প্রাপ্য নোট বলা হয়ে থাকে। সুতারং প্রাপ্য বিল এবং প্রাপ্য নোট মূলত একি জিনিস। প্রাপ্য বিলের মাধ্যমে দেনাদার বা প্রাপ্য হিসাব সৃষ্টি হয় বলে এই বিলের নাম প্রাপ্য বিল। অপার দিকে প্রাপ্য বিল নোট বা টাকার মত বিনিময় যোগ্য হওয়ায় অনেক সময় একে প্রাপ্য নোট বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে।



প্রাপ্য বিল ও প্রদেয় বিলের পার্থক্যঃ

বাকিতে সেবা বা পন্য বিনিময় বা ক্রয় বিক্রয়ে মাধ্যমে যে বিল প্রস্তুত করা হয় তাকে বিনিময় বিল বলেম বিনিময় বিল ২ প্রকার, প্রাপ্য বিল ও প্রদেয় বিল। ক্রেতা বাকিতে পন্য ক্রয়ের জন্য নিজ স্বাক্ষরিত একটি বিল বা দলিল বিক্রেতাকে প্রদান করে যাতে ভবিষ্যতে টাকা গ্রহণ করতে বিক্রেতা ঝুকির সম্মুখীন না হয়। এই বিল বা দলিল ক্রেতা তৈরী করে বিক্রেতাকে প্রদান করে বলে এই বিলের নাম প্রদেয় বিল, অন্য ভাবে বলতে গেলে এই বিলের মাধ্যমে ক্রেতার পাওনাদার বা প্রদেয় হিসাব বেড়ে যাচ্ছে বলে এই বিলের নাম ক্রেতার নিকট প্রদেয় বিল। অপার দিকে ক্রেতার তৈরি কৃত একি বিল বিক্রেতা গ্রহণ করছে বলে বিক্রেতার নিকট এই বিল প্রাপ্য বিল, অন্য ভাবে বলতে গেলে এই বিলের মাধ্যমে বিক্রেতার দেনাদার বা প্রাপ্য হিসাব বেড়ে যায় বলে বিক্রেতার নিকট এই বিল প্রাপ্য বিল। 



প্রাপ্য বিল হিসাবের শ্রেণী বিন্যাসঃ

প্রাপ্য বিল গ্রহণের মাধ্যমে বিক্রেতা ক্রেতাকে বাকিতে পন্য বিক্রয় করে থাকে ফলে বিক্রেতার প্রাপ্য বা দেনাদারের পরিমাণ বেড়ে যায়। কারো নিকট টাকা পাওয়া গেলে তাকে এমেরিকান বা আধুনিক হিসাব পদ্ধতিতে এমনকি সনাতন বা বৃটিশ হিসাব পদ্ধতিতে সম্পদ বলে বিবেচনা করা হয়। প্রাপ্য বিলের মাধ্যমে প্রাপ্য বা দেনাদারের পরিমাণ বেড়ে যায় বলে প্রাপ্য হিসাব এক ধরণের সম্পদ। প্রাপ্য বিলের মাধ্যমে বিক্রেতা ক্রেতার নিকট প্রাপ্য টাকা ভবিষ্যতে দাবি করে থাকে যা দিতে ক্রেতা বাধ্য থাকে। 



প্রাপ্য বিল হিসাব হিসাবভুক্তির নিয়মঃ

প্রাপ্য বিল এক ধরণের সম্পদ। প্রতিষ্ঠানের সম্পদ বৃদ্ধি পেলে বা বেড়ে গেলে ডেবিট হিসাবে লিপিবদ্ধ করা হয়। সুতারং প্রাপ্য বিল হিসাব ডেবিট এবং খতিয়ানে প্রাপ্য বিল হিসাব ডেবিট উদৃত্ত প্রদান করে থাকে। খতিয়ানে প্রাপ্য বিল হিসাব ডেবিট উদৃত্ত প্রদান করায় রেওয়ামিলে প্রাপ্য বিল হিসাব ডেবিট পাশে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকে। রেওয়ামিলে ডেবিট পাশে লিপিবদ্ধ হওয়ায় এবং প্রাপ্য বিল হিসাব একধরণের চলতি সম্পদ হওয়ায় চুড়ান্ত হিসাবে প্রাপ্য বিল উদ্বর্তপত্রে চলতি সম্পদ হিসাবে সম্পদের পাশে লিপিবদ্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠানের সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করে থাকে।



প্রাপ্য বিলের স্বীকৃতি ও নবায়নঃ

প্রাপ্য বিল যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তৈরী করে সেই প্রতিষ্ঠান এর নির্দিষ্ট মেয়াদ নিরূপণ করেন। নির্দিষ্ট মেয়াদ বা সময় সময় বেধে দেওয়ার পর এর মূল্য নির্ধারণ করে তৈরী কারোক এতে সিগ্নেচার বা স্বাক্ষর প্রদান করেন। তৈরী কারক বা ক্রেতার স্বাক্ষর প্রদানের মাধ্যমে প্রাপ্য বিলের স্বীকৃতি প্রদান করা হয় এবং মেয়াদ শেষে তৈরী কারোক বা ক্রেতা প্রাপ্য বিলের টাকা এর বাহক কে প্রদান করতে বাধ্য থাকে। বাহক অথবা বিক্রেতার বা গ্রহীতার নিকট  প্রাপ্য বিল সম্পদ হলেও তৈরী কারোক বা স্বীকৃতি প্রদানকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রাপ্য বিল এক ধরনের দায় এবং এর নাম প্রদেয় বিল। যতক্ষন পর্যন্ত না তৈরী কারোক প্রাপ্য বিলে স্বীকৃতি বা স্বাক্ষর প্রদান করছে ততক্ষণ পর্যন্ত প্রাপ্য বিলের কোনো মূল্য নেই। তাই স্বীকৃতি বিনিময় বিল তথা প্রাপ্য বিলের মূল বিষয়। প্রাপ্য বিল নবায়ন যোগ্য দলিল। মেয়াদ শেষ হলে প্রাপ্য বিলের গ্রাহক ও স্বীকৃতিকারী সম্মত হয়ে একে নতুন করে নবায়ন করতে পারে।



প্রাপ্য বিলের হস্তান্তর যোগ্যতাঃ

প্রাপ্য বিল টাকা বা নোট এর মত কাজ করে। টাকা যেমন এক হাত থেকে অন্য হাতে হস্তান্তর করা যায় প্রাপ্য বিল তেমন হস্তান্তর করা যায়। নির্দিষ্ট মেয়াদ পূর্ণ হলে প্রাপ্য বিল স্বীকৃতকারীর নিকট তথা প্রাপ্য বিলে যার সিগ্নেচার বা স্বাক্ষর আছে তথা যে প্রাপ্য বিল তৈরী করে পন্য বা সেবা গ্রহণ করেছিল তার নিকট এটি ফেরত দিয়ে টাকা সংগ্রহ করা যায় এবং প্রাপ্য বিলের হস্তান্তর যোগ্যতা শেষ হয়। প্রাপ্য বিল ক্রেতার নিকট থেকে গ্রহণ করার পর প্রাপ্য বিল নগদ টাকার মত তরল সম্পদ হিসাবে কাজ করে ফলে প্রাপ্য বিল ধারক বা যার কাছে প্রাপ্য বিল আছে সে ইচ্ছা করলে প্রাপ্য বিলের মাধ্যমে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে পন্য ক্রয় করতে পারে (যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রাপ্য বিলের মাধ্যমে পন্য বিক্রয় করতে ইচ্ছুক তাদের নিকট হতে)। প্রাপ্য বিলের মেয়াদ থাকা কালীন এটি বহু বার বহু প্রতিষ্ঠানের মধ্যে হস্তান্তর করা সম্ভব, প্রাপ্য বিলের নগদ টাকার মত হাত বদলের ক্ষমতা কে প্রাপ্য বিলের হস্তান্তর যোগ্য ক্ষমতা বলে।



প্রাপ্য বিলের বাট্টাকরণ বলতে কি বোঝায়ঃ

প্রাপ্য বিল গ্রহীতার নিকট প্রাপ্য বিল একধরণের সম্পদ। অন্যান্য সম্পদের মত প্রাপ্য বিল হস্তান্তর করা যায়। যেহেতু প্রাপ্য বিল এক ধরনের প্রামাণ্য দলিল এবং সম্পদ তাই বাট্টা বা ছাড়ের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা সম্ভব। উদাহরণ হিসেবে বলতে গেলে, লিখন এন্টার প্রাইজ ৩ মাস মেয়াদী ৫০০ টাকার একটি প্রাপ্য বিলের মাধ্যমে রোদেলা এন্টার প্রাইজের নিকট বাকিতে পন্য বিক্রয় করলো। কিন্তু মেয়াদ শেষ না হতেই প্রতিষ্ঠানে অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় লিখন এন্টার প্রাইজ ৩য় কোনো পক্ষ বা প্রতিষ্ঠান রদ্দুর এন্টার প্রাইজ এর নিকট ৫০০ টাকার প্রাপ্য বিল ৪৫০ টাকার বিনিময়ে হস্তান্তর করে দিল। ছাড় বা বাট্টায় প্রাপ্য বিলের এমন হস্তান্তর কে প্রাপ্য বিলের বাট্টা করণ বলে। ক্রেতা রাজি থাকলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বিক্রেতা বা প্রাপ্য বিল গ্রহীতা বাট্টা করণের মাধ্যমে ক্রেতাকে প্রাপ্য বিল ফিরিয়ে দিয়ে নগদ টাকা সংগ্রহ করতে পারে, ক্রেতা বাট্টা করণে রাজি না থাকলে বিক্রেতা ৩য় পক্ষ বা প্রতিষ্ঠানের নিকট বিল বাট্টা করণের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে। 



প্রাপ্য বিলের বাহকঃ

যার কাছে প্রাপ্য বিল থাকে তাকে এর বাহক বলে। স্বীকৃতি দানকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে প্রাপ্য বিল পাওয়ার পর বিক্রেতা এর প্রতম বাহক বা মালিক থাকে। বিক্রেতা যখন অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রাপ্য বিল হস্তান্তর করে তখন সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এর বাহক বা মালিক থাকে। প্রাপ্য বিল এক ধরণের সম্পদ আর এর বাহক এই সম্পদের মালিক।



প্রাপ্য বিল এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তাঃ

প্রাপ্য নোট বা প্রাপ্য বিলের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। নিম্নে প্রাপ্য বিলের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা ধারাবাহিক ভাবে তুলে ধরা হলো-

  • ১. প্রাপ্য বিলের মাধ্যমে বাকিতে পন্য বিক্রয় করলে ক্রেতা আইনি ভাবে বিক্রেতার নিকট দায়বদ্ধ থাকে ফলে বিক্রেতার বাকির টাকা ওঠানো সহজ হয়।
  • ২. ক্রেতা কোনো কারণে নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে প্রাপ্য বিলের টাকা দিতে অস্বীকার করলে বিক্রেতা আইনি সহায়তা পেতে পারে যার মাধ্যমে সহজে টাকা আদায় করা সম্ভব হয়।
  • ৩. বিক্রেতা ইচ্ছা করলে প্রাপ্য বিল বাট্টা করণের মাধ্যমে প্রাপ্য বিল ৩য় পক্ষকে হস্তান্তর করে প্রয়োজনে টাকা সংগ্রহ করতে পারে।
  • ৪. প্রাপ্য বিল টাকার মত হস্তান্তর যোগ্য হওয়ায় খুব সহজে এটি বিনিময় করা যায়।
  • ৫. প্রাপ্য বিল ব্যাংকের মাধ্যমে বাট্টা করে দ্রুত নগদ অর্থ সংগ্রহ করা যায়।



প্রাপ্য বিলের কিছু জাবেদাঃ

  • ১. রোদেলার নিকট প্রাপ্য বিলের মাধ্যমে ৫০০ টাকার পন্য বিক্রয়।

প্রাপ্য বিল হিসাব - ডেবিট -৫০০/

বিক্রয় হিসাব- ক্রেডিট - ৫০০/


  • ২. রোদেলার নিকট থেকে প্রাপ্ত ৫০০ টাকার প্রাপ্য বিল ব্যাংক থেকে ১০% বাট্টায় ভাঙ্গানো হলো।

নগদান/ব্যাংক হিসাব-ডেবিট-৪৫০/

প্রদত্ত বাট্টা হিসাব-ডেবিট- ৫০/

প্রাপ্য বিল হিসাব- ক্রেডিট ৫০০/


  • ৩. রোদেলার নিকট থেকে ১০০০ টাকার প্রাপ্য বিলের টাকা যথা সময়ে আদায় হলো।

নগদান হিসাব-ডেবিট-১০০০/

প্রাপ্য বিল হিসাব -ক্রেডিট-১০০০/


  • ৪. আদায়ের জন্য প্রাপ্য বিলের ৫০০ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হলো।

ব্যাংক হিসাব -ডেবিট-৫০০/

প্রাপ্য বিল হিসাব-ক্রেডিট-৫০০/


  • ৫. ব্যাংক প্রাপ্য বিলের ৫০০ টাকা আদায় করতে ব্যর্থ হলো।

প্রাপ্য বিল হিসাব ডেবিট-৫০০/

ব্যাংক হিসাব- ক্রেডিট-৫০০/


  • ৬. প্রাপ্য বিলের বিনিময়ে ৫০০ টাকার পন্য ক্রয়।

ক্রয় হিসাব-ডেবিট-৫০০/

প্রাপ্য বিল হিসাব-ক্রেডিট -৫০০/


[বিঃদ্রঃ প্রাপ্য বিলে, এর স্বীকৃতি প্রদানকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষর থাকে তাই প্রাপ্য বিলের বাহক যেই থাকুক না কেন, প্রাপ্য বিলের টাকা আদায় করতে শেষ মেষ এর স্বীকৃতি দান কারীর বা তৈরিকারীর ঠিকানায় পৌছে যেতে পারে এবং প্রাপ্য বিলের টাকা আদায় করতে পারে।]


বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানালে খুশি হবো।