রবিবার

ছাগলের সর্দি কাশির ওষুধ ও চিকিৎসা

ছাগলের ঠান্ডা কাশির ঔষুধ ও নিউমোনিয়া চিকিৎসা


এখানে যা থাকছে---

  • ছাগলের কাশি হলে ঔষুধ ও চিকিৎসা
  • ছাগলের সর্দি ও জ্বর হলে করণীয়
  • ছাগলের নিউমোনিয়া হলে করণীয়
  • ছাগলের কাশি দূর করার উপায়
  • ছাগলের কাশির ওষুধ ও করণীয়

ছাগলের কাশি হলে ঔষুধ ও চিকিৎসা, ছাগলের সর্দি ও জ্বর হলে করণীয়, ছাগলের নিউমোনিয়া হলে করণীয়, ছাগলের কাশি দূর করার উপায়, ছাগলের কাশির ওষুধ ও করণীয়
ছাগলের সর্দি কাশি চিকিৎসা


গৃহপালিত পশু হিসেবে ছাগল ও ভেড়া খুবি জনপ্রিয়। অতিরিক্ত যত্নবান না হলে ছাগল ও ভেড়া পালনে  লাভবান হওয়া সম্ভব নয়। যে কোনো রোগ যেমন ছাগলের কাশি হলে কি করা উচিত বা ছাগলের কাশি হলে করণীয় গুলো কি কি সে সম্পর্কে ধারনার্জনের মাধ্যমেই ফার্মে ছাগল কে সুস্থ রেখে অধিক মুনাফার্জন সম্ভব। ছাগলের কাশির ঔষুধ ও চিকিৎসা এবং ছাগলের সর্দি কাশি বা ঠান্ডা লাগলে করণীয় গুলো কি কি তা নিয়ে আমাদের আজকের আলোচনা।



ছাগলের সর্দি কাশি হওয়ার কারণঃ

ছাগল নাতিশীতোষ্ণ প্রিয়। অধিক গরম বা অধিক শীতে ছাগল দূর্বল বা কাবু হয়ে পড়ে। ঠান্ডা গরম ও আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে ছাগলের সর্দি কাশি (Cough) হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। অপর দিকে ছাগলের যে কোনো রোগের শুরুতে সর্দি বা শ্লেষ্মা ও কাশি দেখা দিতে পারে। অর্থাৎ ছাগলের সর্দি কাশি হওয়া মানে ছাগলের মারাত্মক কোনো রোগের পূর্বাভাস। সচারচার যে সকল কারণে ছাগলের সর্দি কাশি জ্বর কিম্বা নিউমোনিয়া দেখা দেয় তা নিম্নরূপ-

  • ১. ভেজা স্থানে ছাগল দীর্ঘক্ষণ রাখলে বা ছাগলের ঘর ছ্যাঁতছেতে হলে ছাগলের সর্দিকাশি দেখা দিতে পারে।
  • ২. আবহাওয়া ও ঋতু পরিবর্তনের ফলে ছাগলের সর্দি কাশি দেখা দিতে পারে।
  • ৩. ধুলাবালি ও ময়লা আবর্জনা নাকে প্রবেশ করলে ছাগলের হাচি কাশি বা সর্দি দেখা দিতে পারে।
  • ৪. চারণভূমিতে ঘাস খাওয়ার সময় ছাগলের নাকের ভিতর পোকামাকড় বা জোক প্রবেশ করলে অথবা ছাগলের ট্রাকিয়া সাবা ব্রাঞ্চি তে কৃমি জন্মালে ছাগলের হাচি কাশি ও সর্দি দেখা দিতে পারে।
  • ৫. ছাগলের প্রস্রাব বা চানায় প্রচুর পরিমাণে এমোনিয়া গ্যাস নিঃসরণ হয় তাই চানা বা প্রস্রাব নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এই গ্যাস ছাগলের সর্দি কাশি তৈরি করে।
  • ৬. বর্ষার জলে ভিজলে ছাগলের ঠান্ডা, কাশি বা সর্দি হতে পারে।
  • ৭. ঘাস বা ফুল জাতীয় লতা বা খাবার খাওয়ার সময় ছাগলের নাকের মাঝে ফুলের রেণু প্রবেশ করলে ছাগলের হাচি, কাশি বা সর্দি হতে পারে।
  • ৮. হঠাৎ অধিক গরম বা অধিক ঠান্ডা পড়লে ছাগলের ঠান্ডা, কাশি বা সর্দি দেখা দিতে পারে।



ছাগলের সর্দি কাশি ও ঠান্ডা লাগার ধরণ অনুযায়ী প্রকারভেদঃ

ছাগলের নানা ধরণের সর্দি, কাশি বা ঠান্ডা লাগতে পারে। রোগের প্রকোপ বা মাত্রা এবং ধরণ অনুযায়ী ছাগলের সর্দি কাশির প্রকারভেদ গুলো নিম্নরূপ-

  • ১. ছাগলের সাধারণ সর্দি কাশি
  • ২. ছাগলের জ্বর সহ মাঝারি ধরণের সর্দি কাশি
  • ৩. ছাগলের নিউমোনিয়া জনিত সর্দি কাশি
  • ৪. গর্ভবতী ও বাচ্চা ছাগলের সর্দি কাশি বা নিউমোনিয়া



ছাগলের সাধারণ সর্দি কাশির লক্ষণ ও চিকিৎসাঃ

লক্ষণ-

  • ১. মাঝে মাঝে হাচি দিতে থাকবে।
  • ২. নাক ভিজা ও নাকে সর্দি বা মিউকাস দেখা দিতে পারে।
  • ৩. সারাদিন ধরে মাঝে মাঝে কাশি দিতে থাকবে।
  • ৪. চোখের কিনারা ভেজা থাকতে পারে।
  • ৫. খাদ্যগ্রহণ কমে যেতে পারে।


চিকিৎসা ও ঔষুধ-

  • ১. Dexamethasone গ্রুপের ইঞ্জেকশন যেমন, Steron vet ইঞ্জেকশন ২ মিলি দিনে ১ বার করে পরপর ৩ দিন দিতে হবে অথবা ওষুধের গায়ে থাকা লেবেলের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে।
  • ২. Procaine Penicillin & Benzyl Penicillin গ্রুপের ইঞ্জেকশন যেমন, Combipen vet 8 lac ইঞ্জেকশন দিনে ১ বার করে পরপর ৩ দিন দিতে হবে অথবা ওষুধের গায়ে থাকা লেবেলের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করবতে হবে।
  • ৩. Vitamin B-Complex ইঞ্জেকশন প্রতি ১০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্য ১ মিলি করে পরপর ৫ দিন প্রয়োগ করতে হবে।
  • ৪. লিভারটনিক সিরাপ, যেমন- Livaton ওষুধের গায়ে থাকা লেবেলের নির্দেশ মতো পরপর ৫ দিন খাওয়াতে হবে।



ছাগলের জ্বর সহ মাঝারি ধরণের সর্দি কাশির লক্ষণ ও চিকিৎসাঃ

লক্ষণ-

  • ১. ঘনঘন হাচি দিতে থাকবে।
  • ২. নাক ভিজা ও নাকে সর্দি বা শ্লেষ্মা বা মিউকাস বেশি পরিমাণে দেখা দেবে।
  • ৩. ঘনঘন কাশি দিতে থাকবে।
  • ৪. চোখের কিনারা ভেজা থাকতে পারে।
  • ৫. খাদ্যগ্রহণ কমে যাবে বা খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে দেবে।
  • ৬. গায়ের লোম বা পশম সোজা বা খাড়া হয়ে যেতে পারে।
  • ৭. ছাগলের শরীরে তাপমাত্রা বেড়ে যাবে।
  • ৮. এক জায়গাতে ঝুপ মেরে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।


চিকিৎসা ও ঔষুধ-

  • ১. Dexamethasone গ্রুপের ইঞ্জেকশন যেমন, Steron vet ইঞ্জেকশন ২ মিলি দিনে ১ বার করে পরপর ৩ দিন দিতে হবে অথবা ওষুধের গায়ে থাকা লেবেলের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে।
  • ২. Procaine Penicillin & Benzyl Penicillin গ্রুপের ইঞ্জেকশন যেমন, Combipen vet 8 lac ইঞ্জেকশন দিনে ১ বার করে পরপর ৩ দিন দিতে হবে অথবা ওষুধের গায়ে থাকা লেবেলের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে।
  • ৩. Paracitamol গ্রুপের সিরাপ (মানুষের) যেমন Napa সিরাপ জ্বর কমা না পর্যন্ত খাওয়াতে হবে।
  • ৪. Vitamin B-Complex ইঞ্জেকশন প্রতি ১০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্য ১ মিলি করে পরপর ৫ দিন প্রয়োগ করতে হবে।
  • ৫. লিভারটনিক সিরাপ, যেমন- Livaton সিরাপ, ওষুধের গায়ে থাকা লেবেলের নির্দেশ মতো পরপর ৫ দিন খাওয়াতে হবে।



ছাগলের নিউমোনিয়া জনিত সর্দি কাশির লক্ষণ ও চিকিৎসাঃ

লক্ষণ-

  • ১. শ্বাসপ্রশ্বাস জোরে জোরে নেওয়ার পাশাপাশি ঘনঘন হাচি দিতে থাকবে।
  • ২. নাক ভিজা ও নাকে সর্দি বা শ্লেষ্মা বা মিউকাস বেশি পরিমাণে দেখা দেবে এবং গলায় ঘড় ঘড় করে শব্দ করবে।
  • ৩. ঘনঘন কাশি দিতে থাকবে সাথে হাপাতে পারে।
  • ৪. চোখের কিনারা ভেজা থাকতে পারে।
  • ৫. খাদ্যগ্রহণ কমে যাবে বা খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে দেবে।
  • ৬. গায়ের লোম বা পশম সোজা বা খাড়া হয়ে যেতে পারে।
  • ৭. ছাগলের শরীরে তাপমাত্রা বেড়ে যাবে।
  • ৮. এক জায়গাতে ঝুপ মেরে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।
  • ৯. মুখ ও নাক দিয়ে সর্দি কাশি বের হওয়ার সাতে সাথে শ্বাসপ্রশ্বাসে কষ্ট শুরু হবে।
  • ১০. চোখে ময়লা জমতে পারে।
  • ১১. মুখে, গালে ও নাকে ঘা হতে পারে।
  • ১২. পাতলা পায়খানা দেখা দিতে পারে।


চিকিৎসা ও ঔষুধ-

  • ১. Dexamethasone গ্রুপের ইঞ্জেকশন যেমন, Steron vet ইঞ্জেকশন ২ মি. লি. দিনে ১ বার করে পরপর ৩ দিন দিতে হবে অথবা লেবেলের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে।
  • ২. Procaine Penicillin & Benzyl Penicillin গ্রুপের ইঞ্জেকশন যেমন, Combipen vet 8 lac ইঞ্জেকশন দিনে ১ বার করে পরপর ৩ দিন দিতে হবে অথবা লেবেলের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে।
  • ৩. Feversole ইঞ্জেকশন ১০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্যে ১ মিলি করে জ্বর কমা না পর্যন্ত প্রয়োগ করতে হবে অথবা ওষুদের গায়ে লেখা নির্দেশ মতো প্রয়োগ করতে হবে।
  • ৪. Vitamin B-Complex ইঞ্জেকশন প্রতি ১০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্য ১ মি লি করে পরপর ৫ দিন প্রয়োগ করতে হবে।
  • ৫. লিভারটনিক সিরাপ, যেমন- Livaton সিরাপ, লেবেলের নির্দেশ মতো পরপর ৫ দিন খাওয়াতে হবে।



গর্ভবতী ও বাচ্চা ছাগলের সর্দি কাশি বা নিউমোনিয়া চিকিৎসাঃ

  • ১. Feversole ইঞ্জেকশন ১০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্যে ১ মিলি করে জ্বর কমা না পর্যন্ত প্রয়োগ করতে হবে অথবা ওষুদের গায়ে লেখা নির্দেশ মতো প্রয়োগ করতে হবে।
  • ২. Histavet ইঞ্জেকশন ১০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্যে ১ মিলি করে ৩ দিন দিতে হবে অথবা ঔষুধের গায়ে থাকা লেবেল অনুযায়ী দিতে হবে।
  • ৩. Sulfadimidine গ্রুপের এন্টিবায়োটিক ট্যাবলেট /বোলাস /ইঞ্জেকশন ৩ দিন প্যাকেটে থাকা লেবেলের নির্দেশ মতো ব্যবহার করতে হবে।
  • ৪. Vitamin B-Complex ইঞ্জেকশন প্রতি ১০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্য ১ মিলি করে ৫ দিন প্রয়োগ করতে হবে।
  • ৫. লিভারটনিক সিরাপ, যেমন- Livaton সিরাপ লেবেলের নির্দেশ মতো ৫ দিন খাওয়াতে হবে।
  • ৬. জিংক সিরাপ ৫-১০ দিন চা চামচের ২-৩ চামচ করে খাওয়াতে হবে।



ছাগলের সর্দি কাশি জ্বর ও ঠান্ডা লাগার হোমিও ওষুধঃ

  • ১. ছাগলের সর্দি ঠান্ডার প্রাথমিক বা অল্প অবস্থায়, ৪ ড্রপ করে Aconite -30 দিনে ৪ বার এবং Aconite-200 দিনে ৪ বার করে চলবে। 
  • ২. ছাগলের সর্দি ঠান্ডার মাঝারি অবস্থায়, ৪ ড্রপ করে Bryonia -30 দিনে ৪ বার এবং Bryonia-200 দিনে ৪ বার করে চলবে। 
  • ৩. ঠান্ডা জল খেয়ে ছাগলের সর্দি কাশি হলে, ৪ ড্রপ করে Arsenicum album-30 দিনে ৪ বার এবং Arsenicum album-200 দিনে ৪ বার করে চলবে। 
  • ৪. শ্লেষ্মা ও নাকে কফ জমে শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা হলে, ৪ ড্রপ করে Rhus Tox-30 দিনে ৪ বার এবং Rhus Tox-200 দিনে ৪ বার করে চলবে।


[বি:দ্র: হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাওয়ানোর ৩০ মিনিট আগে ও পরে কোন প্রকার খাবার খাওয়ানো ঠিক নয় এবং এক ওষুধ খাওয়ানোর ২০ মিনিট পর অন্য ওষুধ খাওয়ানো উচিত]



ছাগলের শুকনো কাশি নিরাময়ের আয়ুর্বেদী ও ঘরোয়া চিকিৎসাঃ

  • ১. প্রথমে ১০০ গ্রাম কাচা শিউলি পাতা, ১০০ গ্রাম কাচা বাসক পাতা, ২০০ গ্রাম কাচা তুলসী পাতা, ১০০ গ্রাম শুকনো আধা ভাঙ্গা পিপুল বা পিপলি [পিপুল সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন>>>], আধা ভাঙ্গা শুকনো গোলমরিচ ২০ গ্রাম, আধা ভাঙ্গা শুকনো লবঙ্গ ২০ গ্রাম, তালমিসরি গুড়ো ৫০ গ্রাম একসাথে ভালো করে মেশাতে হবে।
  • ২. একটি হাড়িতে ২-২.৫ লিটার জল বা পানি দিয়ে মৃদু তাপে বেশি সময় ধরে অর্থাৎ যতক্ষণ পারা যায় ততোক্ষণ জ্বাল দিতে হবে।
  • ৩. হাড়ির জল শুকিয়ে আধা থেকে ১ লিটার পরিমাণ হয়ে এলে হাড়ি চুলা থেকে নামিয়ে হাড়ির জল ঠান্ডা করে নিতে হবে।
  • ৪. এবার ছাকনি দিয়ে ছেকে মিশ্রিত উপাদান গুলো জল থেকে বের করে এই জল পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে।
  • ৫. ছাগলের শুকনো কাশি নিরাময়ে প্রতি ১০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্য ৩ মিলি করে দিনে ৩ বার খাওয়াতে হবে।
  • ৬. গর্ভবতী ছাগী ও বাচ্চা ছাগলের ক্ষেত্রে এই ওষুধ পরীক্ষিত নয়।
  • ৭. এছাড়া ছাগলের নাক বন্ধ হয়ে গেলে নাকে সরিষার তেল ব্যবহার করতে হবে।



ছাগল কে সর্দি-কাশি ও ঠান্ডা মুক্ত রাখতে করণীয়ঃ

ছাগলের সর্দি কাশি ও ঠান্ডা বেশির ভাগ সময় শীতকালে বেশি হয়ে থাকে। অধিক গরমেও ছাগলের ঠান্ডা গরম লেগে যেতে পারে। ছাগল কে সর্দি কাশি মুক্ত রাখতে নিচের পদক্ষেপ গুলো গ্রহণ করা উচিত-

  • ১. শীত কালে ছাগলের ঘরের চার ধারে পলেথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।
  • ২. শীতকালে ছাগলকে মৃদু গরম জল খেতে দিতে হবে।
  • ৩. ছাগলের খাবারের সাথে নিয়মিত টেট্রাসাইক্লিন গ্রুপের ওষুধ খাওয়াতে হবে।
  • ৪. গাদাগাদি করে ছাগল পালন থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • ৫. ছাগলের ঘরে আলোবাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
  • ৬. ১ লিটার সরিষার তেলে ১০০ গ্রাম হলুদ মিশিয়ে সংরক্ষণ করে তা থেকে প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ পরিমাণ ছাগল কে খাওয়াতে হবে এবং খাওয়ানোর সময় এতে কাচা রসুনের রস যুক্ত করা যেতে পারে।
  • ৭. হোমিওপ্যাথিক ঔষুধ হিসাবে Aconite অথবা Brayonia ৩-৪ ফোটা করে নিয়মিত খাওয়ানো যেতে পারে।
  • ৮. গরম কালে ছাগলের ঘরে ফ্যানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে এবং ছাগল কে ছায়াযুক্ত স্থানে রাখতে হবে।
  • ৯. অধিক শীত বা অধিক গরমে ছাগলের খাবার জলের সাথে ইলেক্টোলাইট  বা গ্লুকোলাইট স্যালাইন মিশিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে।
  • ১০. ছাগলের সর্দি কাশি দেখা দেওয়া মাত্র দ্রুত চিকিৎসা করতে হবে বা চিকিৎসকের পরামর্শ্ব গ্রহণ করতে হবে এবং প্রতিরোধ ও প্রতিকার মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে নইলে ছাগলের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।




যে কোনো সমস্যায় নিচে কমেন্ট করুন আর আমাদের সাথেই থাকুন।

2 comments

খুব ভাল লাগল আরও ভাল পাওয়ার প্রত্যাশিত

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আমরা যথা সম্ভব বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিতে সদা প্রচেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

1timeschool.com এর পক্ষে,
রোদেলা

নিচের বক্সে কমেন্ট করুন। আপনার প্রতিটি কমেন্ট আমাদের নিকট খুবি গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার কমেন্টের উত্তর আমরা যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব দিতে চেষ্টা করবো। আমাদের সাথেই থাকুন।
1timeschool.com
EmoticonEmoticon