বর্গ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বর্গ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার

দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ

দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের সহজ নিয়ম


এখানে যা থাকছে-

  • দুটি বর্গের অন্তর রূপ
  • দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের সহজ নিয়ম
  • দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের সূত্র ও কৌশল


দুটি বর্গের অন্তর রূপ, দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপ, দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের সহজ নিয়ম, দুটি বর্গের বিয়োগফল রূপে প্রকাশের সূত্র ও কৌশল
দুটি রাশির বর্গের অন্তর


দুটি বর্গের অন্তর বলতে কি বোঝায় বা কাকে বলেঃ

আমরা জানি বর্গের ক্ষেত্রফল এক বাহুর বর্গ বা স্কয়ার (square)।  কোনো বর্গের এক বাহু a হলে তার বর্গ বা ক্ষেত্রফল হবে a² । সেই রূপ অপর একটি বর্গের এক বাহু b হলে তার বর্গ বা ক্ষেত্রফল হবে b²। অন্যদিকে অন্তর বলতে বিয়োগ বোঝানো হয়। সুতারং এখানে দুটি বর্গের অন্তর রূপ হবে a² - b² বা (১ম)² - (২য়)²। অর্থাৎ দুটি বর্গের বিয়োগফল কেই দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ করা বোঝায়।



দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের সূত্র সমূহঃ

আমরা আগেই জেনেছি দুটি বর্গের অন্তর বলতে,  ১ম² - ২য়² বোঝানো হয়ে থাকে। সুতারং বীজগণিতে হোক বা পাটিগণিতে হোক যে সকল সূত্রে আমরা ১ম² - ২য়² দেখতে পায় সে সকল সূত্র কে দুটি বর্গের অন্তর রূপ বলা যেতে পারে। বীজগণিতে দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের ২ টি সূত্র রয়েছে। যথা-

  • ১. a²-b² যা (a+b)(a-b) এর সূত্র
  • ২. {(a+b)÷2}² - {(a-b)÷2}² যা ab এর সূত্র



সূত্র প্রয়োগের নিয়মঃ

যেহেতু আমাদের উত্তর হবে দুটি বর্গের অন্তর রূপ। তাই কোনো অংক বা রাশি (a+b)(a-b) আকারে থাকলে পরিবর্তন করে a²-b² আকারে এবং ab আকারে থাকলে পরিবর্তন করে {(a+b)÷2}² - {(a-b)÷2}² আকারে রূপান্তর করতে হবে। 



বীজগণিতে দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশঃ

(p+2)(p+4) কে দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ করতে নিম্নের নিয়ম অনুসরণ করি-

  • ১. ধরি p+2=a এবং p+4=b
  • ২. মান বসিয়ে পাই, (p+2)(p+4)=ab, ফলে ab এর সূত্র প্রয়োগ করতে হবে। আমরা জানি, ab = {(a+b)÷2}²-{(a-b)÷2}² এবং এই সূত্রে a=p+2 এবং b=p+4 বসাতে হবে।
  • ৩. ab ={(a+b)÷2}²-{(a-b)÷2}² ={(p+2+p+4)÷2}²-{(p+2-p-4)÷2}² [a=p+2 এবং b=p+4 বসানো হয়েছে এবং মাইনাসের পর চিহ্ন পরিবর্তন হয় বলে p+4 চিহ্ন পরিবর্তন হয়ে -p-4 হয়েছে]
  • ৪. সরল বা যোগ বিয়োগ করে পাই, ={(2p+6)÷2}²-{(-2)÷2}²
  • ৫. পরের ধাপ  ={2(p+3)÷2}²-{(-2)÷2}² [2 কমন নেওয়া হয়েছে]
  • ৬.  এর পরের ধাপ ={(p+3)}²-{(-1)}² [উভয় অংশ ভাগের পরে থাকা 2 দ্বারা ভাগ করা হয়েছে]
  • ৭. =(p+3)²-(1)² [অতিরিক্ত ব্রাকেট তুলে দেওয়া হয়েছে এবং মাইনাস এর বর্গ বা স্কয়ার প্লাস বলে (-1)² এর স্থলে (1)² লেখা হয়েছে]
  • ৮. অতএব দুটি রাশির বর্গের অন্তর =(p+3)²-(1)² বা, =(p+3)²-1²


অর্থাৎ, উপরের ধাপ গুলো পর্যায় ক্রমে অনুসরণ করে সরল করলে দাড়াবে-

(p+2)(p+4)

=ab [p+2=a এবং p+4=b ধরে]

={(a+b)÷2}²-{(a-b)÷2}² 

={(p+2+p+4)÷2}²-{(p+2-p-4)÷2}² [a ও b এর মান বসিয়ে]

={(2p+6)÷2}²-{(-2)÷2}²

={2(p+3)÷2}²-{(-2)÷2}²

={(p+3)}²-{(-1)}²

=(p+3)²-(1)² বা, (p+3)²-1² এটিই দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপ।


উপরের রাশি টি (p+2)(p+4) আকারে না থেকে p²+6p+8 আকারে থাকলে প্রথমে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে তার পর ab এর সূত্র প্রয়োগ করতে হবে। ধাপ গুলো নিচে দেখানো হলো-

  • ১. p²+6p+8
  • ২. p²+4p+2p+8 [উৎপাদকে বিশ্লেষণ এর মিডিল টার্ম করে]
  • ৩. p(p+4)+2(p+4)
  • ৪. (p+2)(p+4)
  • ৫. ab [p+2=a এবং p+4=b ধরে]
  • ৬. {(a+b)÷2}²-{(a-b)÷2}² 
  • ৭. {(p+2+p+4)÷2}²-{(p+2-p-4)÷2}² [a ও b এর মান বসিয়ে]
  • ৮. {(2p+6)÷2}²-{(-2)÷2}²
  • ৯. {2(p+3)÷2}²-{(-2)÷2}²
  • ১০. {(p+3)}²-{(-1)}²
  • ১১. (p+3)²-(1)² বা, (p+3)²-1² এটিই দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপ।


পাটিগণিতে দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের নিয়মঃ

প্যাটার্ন অধ্যায়ে আমরা দুটি রাশির সমষ্টি রূপের পাশাপাশি দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের অংক পেয়ে থাকি। এ ছাড়া পাটিগণিতে দুটি রাশির অন্তর রূপে প্রকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন গাণিতিক সমস্যার সমাধান করা হয়ে থাকে। পাটিগণিতে কোনো সংখ্যাকে দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ করতে গেলে নিম্নের ধাপ গুলো অনুসরণ করতে হবে-

  • ১. সংখ্যাটিকে যে কোনো দুটি গুণনীয়ক আকারে লিখতে হবে।
  • ২. একটি গুণনীয়ক কে a এবং অপরটিকে b ধরতে হবে।
  • ৩. ab এর সূত্র প্রয়োগ করতে হবে।
  • ৪. সরল করতে হবে।

দুটি বর্গের অন্তর রূপ, দুটি রাশির বর্গের অন্তর রূপ, দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের সহজ নিয়ম, দুটি বর্গের বিয়োগফল রূপে প্রকাশের সূত্র ও কৌশল
দুটি সংখ্যার বর্গের অন্তর


নিম্নে  উদাহরণ এর মাধ্যমে বিষয়টি বোঝানো হলো।

২৪ কে দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ করার ধাপ- 

২৪

=১২ x ২ [এছাড়া ২৪ x ১ বা, ৪ x ৬ বা ৩ x ৮ আকারেও লেখা যেতে পারে]

=ab [১২=a এবং ২=b ধরে]

={(a+b)÷২}²-{(a-b)÷২}² 

={(১২+২)÷২}²-{(১২-২)÷২}² 

={১৪÷২}²-{১০÷২}² 

=৭²-৫²


যে কোনো এক জোড়া গুণনীয়ক নিলেই দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ করা যায় তাই ২৪ এর আরেক জোড়া গুণনীয়ক উদাহরণ এ দেখানো হলো।

২৪ 

=২৪ x ১ 

=ab [২৪=a এবং ১=b ধরে]

={(a+b)÷২}²-{(a-b)÷২}² 

={(২৪+১)÷২}²-{(২৪-২)÷২}² 

={২৫÷২}²-{২২÷২}² 

=(১২.৫)²-১১² 

এখানে একটি সংখ্যা স্বাভাবিক আকারে আসেনি তাই স্বাভাবিক সংখ্যার দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ করতে বললে ২৪ x ১ না করে ২৪ এর অন্য গুণনীয়ক জোড়া দিয়ে দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ করতে হবে।



সংক্ষিপ্ত নিয়মে দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের নিয়মঃ

২৪ 

=২৫-১ [ইচ্ছা মতো ২৪ থেকে বড় সংখ্যা বাছাই করতে হবে যারা পূর্ণ বর্গ, ২৫ এবং ১ উভয়ি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা এবং দুটি সংখ্যা বিয়োগ করে বিয়োগ ফল ২৪ হচ্ছে]

=৫ x ৫ - ১ x ১

=৫² - ১² 


আবার,

২৪ 

=৩৬-১২  [৩৬ পূর্ণ বর্গ কিন্তু ১২ পূর্ণ বর্গ নয় তাই এটি না ধরায় ভালো]



আবার,

২৪ 

=৪৯-২৫ [৪৯ এবং ২৫ পূর্ণ বর্গ সংখ্যা এবং এদের বিয়োগফল ২৪]

=৭ x ৭ - ৫ x ৫

=৭² - ৫² 



[বিঃদ্রঃ পূর্ণ বর্গ সংখ্যা বলতে সেই সংখ্যাকে বোঝায় যাদের সমান দুটি সংখ্যায় ভাঙ্গা যায়, যেমন, ১=১ x ১, ৪৯=৭ x ৭, ৯=৩ x ৩ সুতারং ১, ৪৯ বা ৯ এর মতো সকল সংখ্যাকে পূর্ণ বর্গ সংখ্যা বলে।]




আশাকরি আমরা দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশের নিয়ম সম্পর্কে সঠিক ধারনা পেয়েছি। উপরের কৌশল বা পদ্ধতি গুলো সহজেই প্রয়োগ করে আমরা দুটি রাশিকে বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ করতে পারবো।



বুঝতে সমস্যা হলে নিচে কমেন্ট করে জানালে খুশি হবো।



সকলের শুভকামনায় -

কে-মাহমুদ

২১-০২-২১

বৃহস্পতিবার

দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশ

দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশের সহজ নিয়ম


এখানে যা থাকছে-

  • দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশ
  • দুটি রাশির বর্গের সমষ্টি কি
  • বর্গের সমষ্টি নির্ণয়ের সূত্র
  • দুটি সংখ্যার বর্গের সমষ্টি নির্ণয়ের কৌশল
  • সহজ নিয়মে দুটি বর্গের সমষ্টি নির্ণয়

দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশ, দুটি রাশির বর্গের সমষ্টি কি, দুটি সংখ্যার বর্গের সমষ্টি নির্ণয়ের সূত্র, দুটি বর্গের সমষ্টি নির্ণয়ের সহজ নিয়ম ও কৌশল
দুটি বর্গের সমষ্টি



কিছু কথাঃ

বীজগণিতে নিজেকে শক্ত করে গড়ে তুলতে এর সূত্র সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকা জরুরী। ছোটখাটো বিষয় গুলো সমূহে সঠিক ধারনার্জনের মাধ্যমে সেই জ্ঞানের পরিসর কে আরো উন্নত করা সম্ভব। পাটিগণিত ও বীজগণিতে দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশ করার প্রয়োজন পড়ে। আমাদের আজকের আলোচনা দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশ করার সহজ ও সকল পদ্ধতি বা কৌশল নিয়ে।



বর্গ কিঃ

যে চতুর্ভুজের প্রত্যকটি বাহু সমান এবং কোণ গুলো সমকোণ তাকে বর্গ বলে। বর্গ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে 1timeschool এর হেডিং থেকে নিজ নিজ শ্রেণীতে ক্লিক করে বর্গ সম্পর্কিত বিষয় বিশদ ভাবে জেনে নিতে পারেন। বর্গ ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল এক বাহুর বর্গ বা এক বাহুর স্কয়ার বা বাহুর বর্গ বা বাহু²। অর্থাৎ যে কোনো সংখ্যা বা বস্তুর স্কয়ার করলেই তাকে বর্গ বলে। সংখ্যা গুলোতে অনেক পদের যোগফল বা বিয়োগফল থাকলেও সমস্যা নেই। সুতারং সম্পূর্ণ রাশি বা সংখ্যার উপর যদি স্কয়ার দেওয়া হয় তখনি সেটা বর্গ। যেমন- a² একটি বর্গ, (a+b)² একটি বর্গ, (a+b+c)² একটি বর্গ, (a-b)² একটি বর্গ, (a+b-c-d)² একটি বর্গ, 2² একটি বর্গ, 3² একটি বর্গ, (1+2)² একটি বর্গ, (3-6+7)² একটি বর্গ। অর্থাৎ সম্পূর্ণ ভাবে কোনো কিছুর উপরে স্কয়ার দিলে তাকে বর্গ বলে।



সমষ্টি বলতে কি বোঝায়ঃ

সমষ্টি অর্থ যোগফল। একাধিক সংখ্যাকে যোগ বা প্লাস চিহ্ন (+) দিয়ে যুক্ত করলে তখন তাকে বা সেই রাশিকে সমিষ্টি বা যোগফল বলে। যেমন- a+b দুটি সংখ্যার সমষ্টি, a+b+c তিনটি সংখ্যার সমষ্টি,  a+3+c+e চারটি সংখ্যার সমষ্টি। আবার (a-b)+(b+c) কিন্তু দুটি সংখ্যার সমষ্টি বা দুটি রাশির সমষ্টি অর্থাৎ, এখানে (a-b) এবং (b+c) এর সমষ্টি হচ্ছে (a-b)+(b+c). সুতারং সংখ্যা বা রাশি গুলোর মাঝে প্লাস চিহ্ন দিলেই তখন তাদের সমষ্টি বা সমষ্টি রূপ বলে।



দুটি রাশির সমষ্টি রূপ কিঃ

দুটি সংখ্যা বা দুটি রাশির মাঝে যোগ অথবা যোগ চিহ্ন দিলে তাদের দুটি সংখ্যার যোগফল বা সমষ্টি রূপ বলে। a+b দুটি সংখ্যার সমষ্টি। আবার (a-b)+c দুটি রাশি বা সংখ্যার সমষ্টি যেখানে সংখ্যা দুটি হলো (a-b) এবং c. অর্থাৎ দুটি রাশি বা সংখ্যা গুলোর মাঝে + চিহ্ন থাকলে তখন তাদের দুটি রাশি বা সংখ্যার সমষ্টি রূপ বলে।



দুটি বর্গের সমষ্টি রূপ - নিচে বিশ্লেষণ করা হলো



একটি সংখ্যা থাকলে দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশের নিয়মঃ

একটি সংখ্যা দেওয়া থাকলে এবং সেই সংখ্যাকে দুটি বর্গের সমষ্টি বা যোগফল রূপে প্রকাশ করতে গেলে নিম্নের ধাপ গুলো অনুসরণ করতে হবে-

  • ১. সংখ্যাটি ভেঙ্গে এমন দুটি সংখ্যায় রূপান্তর করার চেষ্টা করতে হবে যেন তাদের প্রত্যেকটি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা হয় এবং এটি করতে 1,2,3,4------ পর্যায়ক্রমে প্রথম ভাগ এর বর্গ করে ২য় ভাগ কেও বর্গ করার চেষ্টা করতে হবে।
  • ২. সংখ্যা দুটির মাঝে যোগ চিহ্ন দিলেই উত্তর পাওয়া যাবে।

বুঝতে সমস্যা হলে নিচের উদাহরণ লক্ষ্য করি-


যেমন- 34 এর দুটি বর্গের সমষ্টি বা যোগফল রূপ হবে,

34 কে 1 থেকে শুরু করে পর্যায় ক্রমে বর্গ রূপে বিভক্ত করার চেষ্টা করে পাই,

34= 1²+33 একটি বর্গ অন্যটি নয়

অথবা, 34=2²+30 একটি বর্গ অন্যটি নয়

অথবা, 34=3²+25=3²+5² দুটি বর্গ এবং এটি উত্তর

অথবা, 34=4²+ 18 একটি বর্গ অন্যটি নয়

অথবা, 34=5²+9=5²+3² দুটি বর্গ এবং এটি উত্তর

[বড় বড় সংখ্যা এভাবে আরো অনেক করা যায়।]


এখানে

3²+25 অথবা 5²+9 হবে নির্ধারিত রূপ কারণ 3² এবং 25 আবার 5² এবং 9 উভয়ি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা সুতারং এদের দুটি বর্গের যোগফল রূপ বা সমষ্টি রূপ 3²+5² অথবা 5²+3².


আরেকটি উদাহরণ লক্ষ্য করি-

26 এর দুটি বর্গের সমষ্টি বা যোগফল রূপ নির্ণয় করতে আমরা বর্গে বিভক্ত করে পাই,

26=1²+25=1²+5² দুটি বর্গ এবং এটি উত্তর

অথবা, 26=2²+22 একটি বর্গ অন্যটি নয়

অথবা, 26=3²+17 একটি বর্গ অন্যটি নয়

অথবা, 26=4²+10 একটি বর্গ অন্যটি নয়

অথবা, 26=5²+1=5²+1² দুটি বর্গ এবং এটি উত্তর


উপরে 1²+5² এবং 5²+1² উভয়ি দুটি বর্গ সুতারং দুটি বর্গের সমষ্টি 1²+5² অথবা 5²+1².



দুটি বর্গের সমষ্টি বা যোগফল রূপে প্রকাশের সূত্রঃ

দুটি বর্গ থাকবে এবং তাদের মাঝে + বা যোগ চিহ্ন থাকবে এমন অবস্থাকে দুটি বর্গের সমষ্টি বা যোগফল রূপে প্রকাশ করা বলে। মনে করি a² এবং b² দুটি বর্গ। সুতারং এদের বা এই দুটি রাশি বা সংখ্যার বর্গের যোগফল রূপ বা সমষ্টি রূপ হবে a²+b². সেই রূপ (a+b)² এবং (b-c+d)² দুটি বর্গ এবং এদের বা বর্গ দুটির সমষ্টি বা যোগফল রূপ হবে (a+b)²+(b-c+d)². অর্থাৎ দুটি বর্গের মাঝে যোগ চিহ্ন দিলে তখন তাদের দুটি বর্গের সমষ্টি বা যোগফল রূপ বলে। দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশের সূত্র-

a²+b² একটি দুটি বর্গের সমষ্টি রূপের সূত্র এবং এই সূত্র তখনি হবে যখন কোনো রাশি (a+b)²-2ab অথবা (a-b)²+2ab অথবা {(a+b)²+(a-b)²}÷2 রূপে থাকবে। কারণ, a²+b² = (a+b)²-2ab অথবা (a-b)²+2ab অথবা {(a+b)²+(a-b)²}÷2 লেখা যায়।



একাধিক পদ যুক্ত সংখ্যা থাকলে দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশের নিয়মঃ

একাধিক পদ যুক্ত রাশি বা সংখ্যা সাধারন্ত বীজগণিতে বেশি থাকে। কোনো রাশি কে দুটি বর্গের সমষ্টি বা যোগফল রূপে প্রকাশ করতে হলে নিম্নের ধাপ গুলো অনুসরণ করতে হবে-

  • ১. রাশিটির উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে।
  • ২. উৎপাদকে বিশ্লেষণ করার পর a²+b² এর সূত্রে প্রয়োগ করার চেষ্টা করতে হবে।
  • ৩. সূত্রে প্রয়োগ করার পর যোগ বিয়োগ গুণ ভাগ করা গেলে সেটা করতে হবে।
  • ৪. উত্তর a²+b² আকারে রাখতে হবে।


এখন a²-b(2a-b)+9 কে দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে বা যোগফল রূপে প্রকাশ করলে প্রক্রিয়া দাড়াবে-

a²-b(2a-b)+9 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই-

=a²-b(2a-b)+9

=a²-2ab+b²+9

=(a-b)²+3² এর পরে আরো করা যায় কিন্তু দুটি বর্গের সমষ্টি বা যোগফল রূপে প্রকাশ করতে এটাই উত্তর কারণ এখানে দুটি বর্গ আছে এবং তাদের মাঝে যোগ চিহ্ন আছে।


আরেকটি উদাহরণ লক্ষ্য করি-


a²+6a-4b+13 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই-

=a²+6a-4b+13

=a²+2.a.3+3²+b²-2.b.2+2²

=(a+3)²+(b-2)²



মনেরাখার বিষয়ঃ

  • ১. সকল সংখ্যাকে দুটি বর্গের যোগফল রূপে প্রকাশ করা যায় না।
  • ২. ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশ করা যায় ৩৪ টি সংখ্যাকে।
  • ৩. কিছু কিছু সংখ্যা আছে যার দুটি বর্গের সমষ্টি রূপ একাধিক হতে পারে, যেমন 50 এর দুটি বর্গের সমষ্টি রূপ, 50=1²+7² অথবা, 50=5²+5²  আবার 65 এর দুটি বর্গের সমষ্টি রূপ, 65=1²+8²  অথবা, 65=4²+7² আবার 325 এর দুটি বর্গের সমষ্টি রূপ, 325=1²+18² অথবা, 325=6²+17² অথবা, 10²+15².




বুঝতে কোনো প্রকার সমস্যা হলে নিচে কমেন্ট করে জানালে খুশি হবো।




সকলের শুভকামনায়-

কে-মাহমুদ

১৮-০২-২০২১

শুক্রবার

চতুর্ভুজের সূত্রাবলী

গণিত শেখার সহজ পদ্ধতি পাঠ -৩ চতুর্ভুজ

বর্গ, সামান্তরিক, আয়ত, রম্বসের সূত্রাবলী


পরিমিতি সহ চতুর্ভুজাকৃতিক ক্ষেত্র সমূহে ক্ষেত্রফল, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা পরিসীমা নির্ণয়ের গুরুত্ব ও ভূমিকা অপরিসীম। দৈনন্দিন জীবনে জমির পরিমাপ সহ নানা প্রকার প্রয়জনীয় আসবাবপত্র পরিমাপে ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের ভূমিকা অতিব প্রয়োজনীয়। আজ আমরা শিখব চতুর্ভুজাকৃতিক ক্ষেত্র সমূহ যেমন, আয়ত, সামান্তরিক, বর্গ, রম্বস, ট্রাপিজিয়াম, ঘুড়ি ইত্যাদির ক্ষেত্রফল নির্ণয়, কর্ণ নির্ণয়, দৈর্ঘ্য নির্ণয়, প্রস্থ নির্ণয়, পরিসীমা নির্ণয় সহ এসকল ক্ষেত্র সমূহের বৈশিষ্ট্যাবলী।


আয়ত রম্বস সামান্তরিক বর্গ
চতুর্ভুজ


শিক্ষার্থী বন্ধুরা আশাকরি সকলে ভালোছিলে এবং ভালো আছ। গত পর্বে আমাদের আলোচনার বিষয় ছিল বীজগণিতে কমন নেওয়ার পদ্ধতি সমূহ। আজ আমাদের আলোচনার বিষয় চতুর্ভূজ সম্পর্কিত বিভিন্ন ক্ষেত্র সমূহের পরিমাপ নির্নয় ও বৈশিষ্ট্য সমূহ। পরিমাপের ক্ষেত্রে চতুর্ভুজের ভূমিকা অপরিসীম। এছাড়া পরিমিতিতে এর ব্যবহার ব্যপক ও বিস্তৃত। এছাড়া সম্পাদ্য, উপপাদ্য বা জ্যামিতি সহ বীজগণিত বা পাটিগণিতে ক্ষেত্রফল নির্ণণয়ে রয়েছে চতুর্ভুজের ব্যবহার। তা বন্ধুরা তাহলে আর কথা নয় শুরু করা যাক সহজ পদ্ধতিতে চতুর্ভূজ সম্পর্কিত বিষয়াদি শেখার কৌশল সমূহ।



প্রথমে জেনে নি চতুর্ভুজ কি?

সাধারন্ত চারটি রেখা দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভুজ বলে। অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্র চারটি বাহু দ্বারা আবদ্ধ তাকে চতুর্ভুজ ক্ষেত্র বলে।



চতুর্ভুজের প্রকারভেদঃ

পূর্বেই জেনেছি যে চারটি রেখা দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভূজ বলে। চারটি রেখা দ্বারা আবদ্ধ সকল ক্ষেত্র সমূহ দেখতে সমান নয়। বৈশিষ্ট্য গত দিক বিবেচনা করে এসকল ক্ষেত্র সমূহকে সাধারন্ত কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে যথা, আয়ত, সামান্তরিক, বর্গ, রম্বস, ট্রাপিজিয়াম বা ট্রাপিজিয়ম, ঘুড়ি এবং সমান্তরালহীন বিষম বাহু বিশিষ্ট চতুর্ভুজ। নিম্নে এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হল। আশা করি শর্ট ভাবে এগুলোর বৈশিষ্ট্য সমূহ মনে রাখার মাধ্যমে গাণিতিক সমস্যাবলীর দ্রুত ও সহজে সমাধান করতে পারবে।



বিভিন্ন প্রকার চতুর্ভুজের শর্ট টিপস

  • সামান্তরিকঃ
    আয়ত,বর্গ,সামান্তরিক,রম্বস,চতুর্ভুজের সূত্রাবলী, সামান্তরিক
    সামান্তরিক

    যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহু দ্বয় সমান ও সমান্তরাল এবং কোন কোণ-ই সমকোণ নয় তাকে সামান্তরিক বলে।  

    ক্ষেত্রফল= ভূমি × উচ্চতা / কর্ণ × ক থেকে বিপরীত কৌনিক বিন্দু পর্যন্ত দূরত্ব। 

    পরিসীমা= ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) / আয়তের সূত্র প্রয়োগ করলেও হবে। 

    কর্ন দ্বয় পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে, কর্ণ দ্বয় যে চারটি ত্রিভুজে বিভক্ত করে তাদের বিপরীত ত্রিভূজ দ্বয় সর্বসম, যে কোন একটি কর্ণ সামান্তরিক কে দুটি সর্বসম ত্রিভূজে বিভক্ত করে।

  • আয়তঃ
    আয়ত,বর্গ,সামান্তরিক,রম্বস,চতুর্ভুজের সূত্রাবলী,আয়ত
    আয়ত

    যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহু গুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল এবং কোণ গুলো সমকোণ তাকে আয়ত বলে। 
    ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ / সামান্তরিকের সূত্র প্রয়োগ করলেও চলবে। 
    পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) / সামান্তরিকের সূত্র প্রয়োগ করলেও চলবে। 
    কর্ণ² = দৈর্ঘ্য² + প্রস্থ² 
    কর্ণ দ্বয় পরস্পর সমান, কর্ণ দ্বয় পরস্পরকে সমান চারটি খন্ডে বিভক্ত করে, কর্ণ দ্বয় যে চারটি ত্রিভুজে বিভক্ত করে তাদের বিপরীত ত্রিভূজ দ্বয় সর্বসম, যে কোন একটি কর্ণ আয়ত কে দুটি সর্বসম ত্রিভূজে বিভক্ত করে।
  • বর্গঃ
    আয়ত,বর্গ,সামান্তরিক,রম্বস,চতুর্ভুজের সূত্রাবলী, বর্গ
    বর্গ

    যে চতুর্ভুজের প্রত্যেকটি বাহু পরস্পর সমান এবং কোন গুলো সমকোণ তাকে বর্গ বলে। 
    ক্ষেত্রফলঃ এক বাহু² / আয়তের সূত্র প্রয়োগ করলেও চলবে। 
    পরিসীমাঃ ৪ × একবাহু / আয়তের সূত্র/ সামান্তরিকের সূত্র/ রম্বসের সূত্র প্রয়োগ করলেও হবে। 
    কর্ণ² = ২ × একবাহু² / আয়তের সূত্র প্রয়োগ করলেও হবে। 
    কর্ণ দ্বয় পরস্পর সমান, কর্ণ দ্বয় পরস্পরকে সমান চারটি খন্ডে বিভক্ত করে, কর্ণ দ্বয় যে চারটি ত্রিভুজে বিভক্ত করে তারা পরস্পর সর্বসম, যে কোন একটি কর্ণ বর্গ কে দুটি সর্বসম ত্রিভূজে বিভক্ত করে, কর্ণ দ্বয় ছেদ বিন্দুতে সমকোণ উৎপন্ন করে।
  • রম্বসঃ
    আয়ত,বর্গ,সামান্তরিক,রম্বস,চতুর্ভুজের সূত্রাবলী, রম্বস
    রম্বস

    যে চতুর্ভুজের প্রত্যেকটি বাহু পরস্পর সমান কিন্তু কোণ গুলো সমকোণ নয় তাকে রম্বস বলে। 
    ক্ষেত্রফলঃ সামান্তরিকের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে। 
    পরিসীমাঃ ৪ × একবাহু / আয়তের সূত্র / সামান্তরিকের সূত্র/ বর্গের সূত্র প্রয়োগ করলেও হবে। 
    কর্ণ দ্বয় পরস্পর সমান, কর্ণ দ্বয় পরস্পরকে সমান চারটি খন্ডে বিভক্ত করে, কর্ণ দ্বয় যে চারটি ত্রিভুজে বিভক্ত করে তাদের বিপরীত ত্রিভূজ দ্বয় পরস্পর সর্বসম, যে কোন একটি কর্ণ রম্বস কে দুটি সর্বসম ত্রিভূজে বিভক্ত করে, কর্ণ দ্বয় ছেদ বিন্দুতে সমকোণ উৎপন্ন করে।
  • ট্রাপিজিয়াম বা ট্রাপিজিয়মঃ
    আয়ত,বর্গ,সামান্তরিক,রম্বস,চতুর্ভুজের সূত্রাবলী, ট্রাপিজিয়ম
    ট্রাপিজিয়ম

    যে চতুর্ভুজের দুটি বাহু পরস্পর সমান্তরাল কিন্তু কোন বাহুই সমান নয় তাকে ট্রাপিজিয়াম বা ট্রাপিজিয়ম বলে। 
    ক্ষেত্রফলঃ ½ × সমান্তরাল বাহু দ্বয়ের সমষ্টি × সমান্তরাল বাহু দ্বয়ের দূরত্ব 
    ট্রাপিজিয়ামের কোন বাহু-ই সমান নয়, দুটি ত্রিভুজে ও একটি আয়তে বিভক্ত করে ট্রাপিজিয়মের ক্ষেত্রফল বের করা যায়।
  • ঘুড়িঃ
    আয়ত,বর্গ,সামান্তরিক,রম্বস,চতুর্ভুজের সূত্রাবলী, ঘুড়ি
    ঘুড়ি

    যে চতুর্ভুজের দুটি সন্নিহিত বাহু জোড়া পরস্পর সমান তাকে ঘুড়ি বা ঘুড়ি আকৃতি ক্ষেত্র বলে। পরিসীমা= ২ (সন্নিহিত বাহু দুটির যোগফল) 
  • সমান্তরালহীন বিষমবাহুঃ
    আয়ত,বর্গ,সামান্তরিক,রম্বস,চতুর্ভুজের সূত্রাবলী, সমান্তরালহীন বিষমবাহু
    সমান্তরালহীন বিষমবাহু 

    উপরোক্ত চতুর্ভুজ গুলি ছাড়াও এমন এক ধরনের চতুর্ভুজ রয়েছে যার কোন বাহুই সমান নয় এবং কোণ গুলোর কোনটিই সমান নয় তাকে বিষম বাহু বিশিষ্ট চতুর্ভূজ বলা যেতে পারে।
পরিসীমা= চারটি বাহুর যোগফল। 


প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা এবার কিছু বিষয় সম্পর্কে মনে রাখা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে যে, ৯০° এর সমান কোণ কে সমকোণ বলে। এর চেয়ে বড় কোন কে স্থুলকোণ বলে এবং এর চেয়ে ছোট কোন কে সুক্ষকোণ বলে। কিছু চতুর্ভুজের কোন গুলো সমকোণ আবার কিছু চতুর্ভুজের কোণ গুলো সুক্ষকোণ ও স্থুলকোণ এর মিশ্রণ। এছাড়া আরেকটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, প্রতিটি চতুর্ভুজের কোণ গুলোর যোগফল বা সমষ্টি ৩৬০° বা চার সমকোণের সমান। অন্যদিকে কোন চতুর্ভুজের বিপরীত বাহু গুলো সমান হলে বিপরীত কোণ গুলোও পরস্পর সমান হবে। এছাড়া আরো একটি বিষয় লক্ষ্যনীয় যে চতুর্ভুজের কোণ গুলো সমকোণ এবং বাহু গুলো সমান হলে কর্ণ গুলোও পরস্পর সমান হবে। সাধারন্ত চতুর্ভুজে বিপরীত কৌণিক বিন্দুগুলোর যোগফলকে কর্ণ বলে তাই একটি চতুর্ভুজে দুটি কর্ণের বেশি কখনই থাকা সম্ভব নয়।


প্রিয় বন্ধুরা আশাকরি আয়ত, সামান্তরিক, বর্গ, রম্বস, ট্রাপিজিয়ম, ঘুড়ি বা বিষম ও অসম বাহু বিশিষ্ট চতুর্ভুজের ক্ষেত্রফল, পরিসীমা ও এদের বৈশিষ্ট্য সমূহ খুব সহজে ও শর্ট পদ্ধতিতে মনে রাখতে পারবে। এখন পরিমিতি, বীজগণিত, সম্পাদ্য, উপপাদ্য বা পাটিগণিত এর সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারবে আরো সহজে। পরীক্ষায় ভালো করা শুধু নিজেকে সঠিক ভাবে প্রস্তুত করা ও কিছু টেকনিক বা পদ্ধতি অনুসরন করার মাধ্যমেই সম্ভব। আশাকরি সকলে এখন থেকে নিজেকে সঠিক ভাবে প্রস্তুত করতে পারবে।



নিজে করঃ

নিচের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দাও। দেখি কেমন পার।

a) বর্গের কর্ন গুলোর সম্পর্ক কেমন?
b) সামান্তরিকে কয়টি সমকোন থাকে?
c) আয়ত কে কি সামান্তরিক বলা যায়?
d) একটি ঘুড়ি একে সমান সমান বাহু চিহ্নিত কর।
e) ট্রাপিজিয়মের কয়টি সমান্তরাল বাহু থাকে?
f) একটি বর্গের কর্ন দুটি যে চারটি ভাগে বিভক্ত হয় তারা কেমন?
g) একটি আয়তের ক্ষেত্রফল দুটি সমকোনী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সমান, তাই কি? সত্য হলে প্রমান করে দেখাও।
h) রম্বসের কর্ন দ্বয় যে চারটি চতুর্ভুজে বিভক্ত করে যে গুলি কি সর্বসম?
i) একটি ট্রাপিজিয়মের সমান্তরাল বাহু দুটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৫ মি. ও ১০ মি. এবং এদের দূরত্ব ৬ মি. হলে ক্ষেত্রফল কত?
j) আয়ত ক্ষেত্রের সন্নিহিত বাহু দুটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৫ মি. এবং ১০ মি. হলে ক্ষেত্রটির একটি কর্নের দৈর্ঘ্য কত হবে?
k) রম্বসের এবং সামান্তরিকের একটি পার্থ্যক্য লিখ।
l) প্রমান কর যে যদি কোন আয়তের সন্নিহিত বাদু দুটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১০ মি. এবং ২০ মি. এবং তা কোন সামান্তরিকের সন্নিহিত বাহুর সমান হলে তাদের ক্ষেত্রফল সমান।
m) বর্গের এক বাহু 7 মি. হলে এর ক্ষেত্রফল কত?
n) একটি রম্বসের পরিসীমা কি বর্গের পরিসীমার সমান? যদি সমান হয় তবে তা কেন?
o) ৪মি, ৫মি, ৬মি, ৭মি যথাক্রমে কোন ট্রাপিজিয়মের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য হলে ট্রাপিজিয়মের পরিসীমা কত হবে?
p) বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে এর কর্ন দ্বয়ের সমষ্টি কত হবে?
q) রম্বসে অবশ্যই দুটি স্থুল কোন থাকবে, সত্য না মিথ্যা?
r) প্রমান কর যে একটি সামান্তরিকের পরিসীমা একটি আয়তের পরিসীমার সমান।


উপরোক্ত আলোচনা সমূহ আশাকরি শিক্ষার্থী বন্ধু তোমাদের খুবি ভালো লেগেছে। আমার বিশ্বাস আলোচনা টুকু তোমাদের খুব কাজে লাগবে। বারবার অনুশীলন আর সমস্যার সমাধানের চেষ্টার মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোলা যায় গনিতের জাহাজ রূপে। আশাকরি সকলের শেখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তোমাদের কোন সমস্যা হলে এখানে কমেন্ট অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ভুলোনা। তোমাদের উৎসাহ পেলে হাজির হব অন্য কোন বিষ্য নিয়ে। সেই প্রত্যাশা রেখে আজ এ পর্যন্তই।



কে-মাহমুদ
৬-১২-২০১৯