ভার্চুয়াল রিয়েলিটি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার

ডিলিটেড ফাইল রিকভারি: হার্ড ড্রাইভ থেকে ডাটা রিকভারি করার সহজ উপায়

ডাটা রিকভারি: মুছে ফেলা ফাইল থেকে তথ্য পুনরুদ্ধারের সহজ পদক্ষেপ


এখানে যা থাকছে---

  • data recovery
  • file recovery
  • data retrieval
  • recover lost data
  • মুছে ফেলা ফাইল রিকভারি
  • তথ্য পুনরুদ্ধার সফটওয়্যার
  • ডিলিট হওয়া তথ্য ফিরে পাওয়ার উপায়

data recovery, file recovery, data retrieval, recover lost data, মুছে ফেলা ফাইল রিকভারি, তথ্য পুনরুদ্ধার সফটওয়্যার, ডিলিট হওয়া তথ্য ফিরে পাওয়ার উপায়
Easy Data Recovery

ডিলিটেড ফাইল রিকভারি এবং হার্ড ড্রাইভ থেকে ডাটা রিকভারি করার প্রক্রিয়া কখনোই সহজ ছিল না। তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশল এবং সফটওয়্যারের সাহায্যে এটি সম্ভব। এই আর্টিকেলে, আমরা মুছে ফেলা ফাইল ফেরত আনার বিস্তারিত পদ্ধতি আলোচনা করবো।




ডাটা হারানো একটি বড় সমস্যা হতে পারে। ব্যবসায়িক ডাটা, ব্যক্তিগত ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও - সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একটি ভুল ক্লিক বা প্রযুক্তিগত সমস্যা আপনার ডাটাকে হারিয়ে দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, ডাটা রিকভারির প্রক্রিয়া জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



হার্ড ড্রাইভ থেকে ডাটা রিকভারি করার প্রাথমিক পদক্ষেপ


১. রিসাইকেল বিন চেক করুন

প্রথমেই রিসাইকেল বিন চেক করুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে, মুছে ফেলা ফাইলগুলি রিসাইকেল বিনে সেভ হয়। যদি ফাইলটি সেখানে পাওয়া যায়, তবে সেটি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।



২. ব্যাকআপ পুনরুদ্ধার করুন

যদি আপনি নিয়মিত ব্যাকআপ নিয়ে থাকেন, তাহলে সেখান থেকে ফাইলগুলো রিকভার করতে পারেন। উইন্ডোজ এবং ম্যাক উভয় প্ল্যাটফর্মেই ব্যাকআপ ফিচার রয়েছে যা আপনার হারানো ডাটা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে।



৩. ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন

যদি রিসাইকেল বিন এবং ব্যাকআপ থেকে ফাইল পুনরুদ্ধার করা সম্ভব না হয়, তাহলে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। কিছু জনপ্রিয় সফটওয়্যারের মধ্যে রয়েছে:


- EaseUS Data Recovery Wizard: EaseUS Data Recovery Wizard ডাউনলোড

- Recuva: Recuva ডাউনলোড

- Disk Drill: Disk Drill ডাউনলোড



ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহারের পদ্ধতি


১. সফটওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল

প্রথমে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যার ডাউনলোড করা উচিত যাতে এটি নিরাপদ থাকে।


EaseUS Data Recovery Wizard ডাউনলোড এবং ইন্সটল

  1. EaseUS ওয়েবসাইটে যান এবং "Free Download" বাটনে ক্লিক করুন।
  2. ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে ইন্সটল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। 
  3. ইন্সটল শেষ হলে সফটওয়্যারটি চালু করুন।


Recuva ডাউনলোড এবং ইন্সটল

  1. Recuva ওয়েবসাইটে যান এবং "Download Free Version" বাটনে ক্লিক করুন। 
  2. ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ইন্সটলেশন ফাইলটি ওপেন করে ইন্সটল করুন। 
  3. ইন্সটল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সফটওয়্যারটি চালু করুন।


Disk Drill ডাউনলোড এবং ইন্সটল

  1. Disk Drill ওয়েবসাইটে যান এবং "Download" বাটনে ক্লিক করুন। 
  2. ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে ইন্সটল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। 
  3. ইন্সটলেশন শেষ হলে সফটওয়্যারটি চালু করুন।



২. হার্ড ড্রাইভ স্ক্যান করুন

সফটওয়্যারটি চালু করে হার্ড ড্রাইভটি নির্বাচন করুন এবং স্ক্যান করুন। স্ক্যান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছু সময় লাগতে পারে।


EaseUS Data Recovery Wizard ব্যবহার করে স্ক্যান

  1. সফটওয়্যারটি চালু করুন এবং যে ড্রাইভ থেকে ডাটা রিকভার করতে চান সেটি নির্বাচন করুন। 
  2. "Scan" বাটনে ক্লিক করুন এবং সফটওয়্যারটি স্ক্যান করতে দিন। 
  3. স্ক্যান সম্পন্ন হলে, আপনি প্রিভিউ দেখতে পারবেন।


Recuva ব্যবহার করে স্ক্যান

  1. সফটওয়্যারটি চালু করুন এবং "Wizard" মোড নির্বাচন করুন। 
  2. যে ধরনের ফাইল রিকভার করতে চান তা নির্বাচন করুন (উদাহরণস্বরূপ, ছবি, ডকুমেন্ট)। 
  3. যে ড্রাইভ থেকে ফাইল রিকভার করতে চান তা নির্বাচন করুন এবং "Start" বাটনে ক্লিক করুন।


Disk Drill ব্যবহার করে স্ক্যান

  1. সফটওয়্যারটি চালু করুন এবং হার্ড ড্রাইভটি নির্বাচন করুন। 
  2. "Recover" বাটনে ক্লিক করুন এবং সফটওয়্যারটি স্ক্যান করতে দিন। 
  3. স্ক্যান সম্পন্ন হলে, আপনি রিকভার করতে চান এমন ফাইলগুলির প্রিভিউ দেখতে পারবেন।



৩. রিকভার করতে চান এমন ফাইলগুলি নির্বাচন করুন

স্ক্যান সম্পূর্ণ হলে, রিকভার করতে চান এমন ফাইলগুলি নির্বাচন করুন। এই পর্যায়ে, আপনি ফাইলগুলির প্রিভিউ দেখতে পারেন যা আপনার সঠিক ফাইলগুলি নির্বাচন করতে সহায়তা করবে।



৪. ফাইল সেভ করুন

ফাইলগুলি পুনরুদ্ধার করুন এবং সেগুলি একটি সুরক্ষিত স্থানে সেভ করুন।



ডাটা রিকভারি পরবর্তী পদক্ষেপ

ডাটা রিকভারির পর, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা উচিত:


১. নিয়মিত ব্যাকআপ নিন

ডাটা হারানোর ঝুঁকি কমানোর জন্য নিয়মিত ব্যাকআপ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কিছু ব্যাকআপ পদ্ধতি আলোচনা করা হলো:


ক্লাউড ব্যাকআপ

ক্লাউড ব্যাকআপ একটি জনপ্রিয় ও নিরাপদ পদ্ধতি। ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসগুলির মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার গুরুত্বপূর্ণ ডাটা ব্যাকআপ রাখতে পারেন। কিছু জনপ্রিয় ক্লাউড ব্যাকআপ সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে:

- Google Drive: Google Drive

- Dropbox: Dropbox

- OneDrive: OneDrive


ক্লাউড স্টোরেজের সুবিধা হলো, আপনার ডাটা ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে যেকোনো জায়গা থেকে অ্যাক্সেস করা সম্ভব এবং এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়।


এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভ

এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভে ডাটা ব্যাকআপ রাখা একটি সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি। একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ডাটা ব্যাকআপ নিয়ে রাখলে আপনি সহজেই আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো রক্ষা করতে পারবেন।


ব্যাকআপ নিতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন:

  1. একটি নির্ভরযোগ্য এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভ কিনুন। 
  2. এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করুন। 
  3. ফাইল এবং ফোল্ডারগুলি এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভে কপি করে রাখুন।


ব্যাকআপ সফটওয়্যার

বিভিন্ন ধরনের ব্যাকআপ সফটওয়্যার রয়েছে যা আপনার ডাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকআপ রাখতে সক্ষম। কিছু জনপ্রিয় ব্যাকআপ সফটওয়্যার হলো:

- Acronis True Image: Acronis True Image

- EaseUS Todo Backup: EaseUS Todo Backup


ব্যাকআপ সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ শিডিউল করা যায় যা নিয়মিত আপনার ডাটা ব্যাকআপ নিতে সক্ষম।



২. ভাইরাস প্রোটেকশন ব্যবহার করুন

হার্ড ড্রাইভকে সুরক্ষিত রাখার জন্য ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। এটি আপনার ডাটাকে ম্যালওয়্যার ও ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখবে।



৩. সঠিকভাবে ফাইল ম্যানেজ করুন

ফাইল ম্যানেজমেন্টের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করুন যাতে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলি হারিয়ে না যায়। ফাইলগুলি নির্দিষ্ট ফোল্ডারে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ডকুমেন্টেশনের প্র্যাকটিস করুন।



কিছু সাধারণ ভুল যা ডাটা রিকভারি করার সময় এড়িয়ে চলা উচিত


১. হার্ড ড্রাইভে নতুন ডাটা লেখা

যদি আপনি হার্ড ড্রাইভ থেকে ডাটা রিকভার করতে চান, তবে সেখানে নতুন ডাটা লেখা এড়িয়ে চলুন। এটি পুরনো ডাটা ওভাররাইট করতে পারে এবং রিকভারি প্রক্রিয়া কঠিন করে তুলতে পারে।"



২. অবৈধ সফটওয়্যার ব্যবহার

অবৈধ বা ফ্রি সফটওয়্যার ব্যবহার করে ডাটা রিকভারি করা এড়িয়ে চলা উচিত। এসব সফটওয়্যার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিরাপদ নয় এবং এতে আপনার ডাটার গোপনীয়তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নির্ভরযোগ্য এবং পরিচিত সফটওয়্যার ব্যবহার করুন যা প্রামাণিক উৎস থেকে ডাউনলোড করা হয়েছে।



৩. হার্ড ড্রাইভে ফিজিক্যাল ড্যামেজ সৃষ্টি করা

যদি আপনার হার্ড ড্রাইভে শারীরিক ক্ষতি হয়ে থাকে, তবে নিজে রিকভারি প্রক্রিয়া করার চেষ্টা না করাই উত্তম। এর পরিবর্তে, পেশাদার ডাটা রিকভারি সেন্টারের সহায়তা নিন। ফিজিক্যাল ড্যামেজড ড্রাইভে নিজে কাজ করলে ড্রাইভটি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং ডাটা সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যেতে পারে।



৪. প্রয়োজনীয় ডাটা না রিকভার করা

ডাটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহারের সময় প্রাথমিকভাবে প্রিভিউ দেখতে ভুলবেন না। এতে করে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে প্রয়োজনীয় ফাইলগুলি রিকভার করা হচ্ছে। ভুল ফাইল রিকভার করা হলে, গুরুত্বপূর্ণ ডাটা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নাও হতে পারে।



ডিলিটেড ফাইল রিকভারি এবং হার্ড ড্রাইভ থেকে ডাটা রিকভারি করার প্রক্রিয়া সঠিক পদ্ধতি এবং নির্ভরযোগ্য সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে সম্ভব। নিয়মিত ব্যাকআপ নেওয়া, ভাইরাস প্রোটেকশন ব্যবহার এবং সঠিক ফাইল ম্যানেজমেন্ট নিয়ম অনুসরণ করে আপনি ডাটা হারানোর ঝুঁকি কমাতে পারেন। কোনো সমস্যায় পড়লে নির্ভরযোগ্য ডাটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজনে টেকনিশিয়ান এর সহায়তা নিন।



উৎস: এই আর্টিকেলটি লিখতে আমার নিজের লেখার পাশাপাশি এআই টেকনোলজির সাহায্যে নেওয়া হয়েছে।

Remove Photo Background - Bangla Tutorial

How to remove background in just one click


এখানে যা থাকছে---

  • How to remove background from a photo
  • Photo background remove
  • Background remove
  • How to remove background in photoshop
  • How to remove background

How to remove background from a photo, Photo background remove, Background remove, How to remove background in photoshop, How to remove  background
Photo background remove

আমরা যারা ছবি বা পিকচার নিয়ে নিয়মিত কাজ করি বা আমরা যারা ইমেজ বা পিকচার কোনো ওয়েব সাইট বা ইউটিউবের জন্য ব্যবহার করতে চাই, তারা অনেক সময় পিক বা ছবি বা ইমেজের ব্যাকগ্রাউন্ড ডিলিট বা রিমুভ করতে চাই। কোনো ছবি বা ইমেজের ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ বা পরিবর্তন করতে কম্পিউটার ও মোবাইলের জন্য অসংখ্য এপ বা সফটওয়্যার রয়েছে। কিন্তু আমরা জানি না আমরা আমাদের মোবাইল বা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে কোনো প্রকার এপ্লিকেশন বা সফটওয়্যার ছাড়ায় খুব সহজেই যে কোনো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ বা পরিবর্তন করতে পারি।   আশ্চর্য্যের ব্যপার হল, মাত্র কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই, এই পদ্ধতি ব্যবহার করে অটোমেটিক, যে কোনো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা সহ নিমেষেই পরিবর্তন করা যায়।



আমাদের আজকের আলোচনা কোনো প্রকার এপ বা সফটওয়্যার ছাড়ায় ছবি বা পিকচারের ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ ও পরিবর্তন করার উপায় নিয়ে। How to remove photo background without any software?



কোনো প্রকার সফটওয়্যার ছাড়া যে কোনো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে কয়েকটি জনপ্রিয় ও সহজ পদ্ধতি রয়েছে। আজ আমরা কম্পিউটার বা মোবাইলে থাকা মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করে মাত্র কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমে কিভাবে যেকোনো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে হয় তার পদ্ধতি গুলো নিয়ে আলোচনা করব। 

তাহলে চলুন শুরুকরা যাক----



এই আর্টিকেলটি ভিডিও আকারে দেখতে নিচের ভিডিও আইকনে ক্লিক করুন--

ভিডিও ঃ ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মুছেফেলার সহজ উপায়


  • ১. সর্ব প্রথমে কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সার্চ বক্সে লিখব পাওয়ার পয়েন্ট। অথবা স্টার্ট মেনু থেকে মাইক্রোসফট অফিস ফোল্ডার খুজে বের করে ক্লিক করলে মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট পাওয়া যাবে। মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টে ক্লিক করে আমরা এটি ওপেন করব। 
  • ২. পাওয়ার পয়েন্ট ওপেন হলে একটি খোলা পেজ দেখতে পাবো। এই পেজে অনেক সময় কয়েকটি টেক্সট বক্স থাকে, আমরা বক্স গুলো ডিলিট বা কাট করে দিব। অবশ্য বক্স কাট না করলেও সমস্যা নেই। 
  • ৩. এবার শুরু আসল কাজ। সর্ব প্রথম আমরা যে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে চাচ্ছি সেই পিকচার বা ছবিটি পাওয়ার পয়েন্টে নিয়ে আসতে হবে। পাওয়ার পয়েন্টের উপরে একদম ডানপাশের মেনু বারে লক্ষ্য করুন। হোম অপশনের ঠিক পরে বা পাশে ইনসার্ট অপশন দেখতে পাবেন। ইনসার্টে ক্লিক করুন। 
  • ৪. ইনসার্টে ক্লিক করলে অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন। ইনসার্টের নিচে বাম দিকে লক্ষ্য করুন। পিকচার নামে অপশন পাবেন। পিকচার অপশনে ক্লিক করুন। একটি বক্স ওপেন হবে। এই বক্সের মাধ্যমে ছবিটি যেখানে আছে সেই ফোল্ডারে প্রবেশ করতে হবে।  এবার বক্সের নিচে ইনসার্টে  ক্লিক করলে ছবিটি পাওয়ার পয়েন্টে চলে আসবে। 
  • ৫. ছবিটির উপর ক্লিক করুন। ছবিটিতে ক্লিক করলে উপরে ঠিক বামে কিছু অপশন দেখতে পাবেন। সেখান থেকে রিমুভ ব্যাকগ্রাউন্ড অপশনে ক্লিক করুন। 
  • ৬. রিমুভ ব্যাকগ্রাউন্ড অপশনে ক্লিক করলে নতুন করে কিছু অপশন আসবে এবং সাথে সাথে আপনার ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করার জন্য সিলেক্ট হয়ে যাবে। যদি কোনো অংশ সিলেক্ট হতে বাদ পড়ে বা বেশি সিলেক্ট হয়ে যায় তবে উপরের অপশন গুলো দ্বারা তা ঠিক করা যাবে। 
  • ৭. ছবির যে অংশ গুলো আপনি রাখতে চান সে অংশ যদি সিলেক্ট হয়ে যায় তবে মার্ক এরিয়া টু কিপ অপশনে ক্লিক করে নিয়ে ছবির যে অংশ রাখতে চান কিন্তু মার্ক হয়ে গেছে তাতে ক্লিক করে ধরে মাউস টান দিয়ে ছেড়ে দিন। সংগে সংগে ডিসিলেক্ট হয়ে যাবে। 
  • ৮. আবার ছবির কোনো অংশ যদি সিলেক্ট হতে বাদ পড়ে যা আপনি রাখতে চান না, তবে মার্ক এরিয়া টু রিমুভ অপশনে ক্লিক করে নিয়ে ছবির যে অংশ ডি সিলেক্ট হয়ে আছে কিন্তু আপনি রিমুভ করতে চান সেখানে মাউস চেপে ধরে টান দিয়ে ছেড়ে দিন। সংগে সংগে সেটুকু রিমুভ হওয়ার জন্য সিলেক্ট হয়ে যাবে। 
  • ৯. সিলেক্ট করা অংশ পুনারয় ডি সিলেক্ট করতে ডিলেট মার্কে ক্লিক করে মার্ক করা অংশে মাউস পয়েন্ট রেখে, চেপে ধরে টান দিলে ডি সিলেক্ট হয়ে যাবে। 
  • ১০. আপনি যে সকল চেঞ্জ করেছেন তা বাদ দিতে ডিসকার্ড অল চেঞ্জে ক্লিক করতে পারেন। 
  • ১১. সব শেষে মার্ক করা অংশ অর্থাৎ ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মুছে ফেলতে কিপ চেঞ্জে ক্লিক করতে হবে। তাহলে মার্ক করা অংশ রিমুভ হয়ে যাবে। অর্থাৎ আপনি কোনো প্রকার সফটওয়্যার বা এপ্লিকেশন ছাড়ায় শুধুমাত্র পাওয়ার পয়েন্টের ব্যবহার করে মাত্র কয়েক ক্লিকের মাধ্যমে আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপ বা যে কোনো কম্পিউটার দিয়েই খুব সহজে যে কোনো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ বা ডিলেট করতে পারবেন।



ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে চাইলে মেনু বার থেকে ডিজাইন অপশনে ক্লিক করুন। অনেক গুলো ডিজাইন পাবেন। তাতে ক্লিক করলেই ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ হয়ে যাবে। আপনি ইচ্ছা করলে যে কোনো নিজের ছবি দিয়েও ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে পারেন।



এবার আসুন ছবিটি সেভ করে নিই। উপরে বামপাশে ফাইলে ক্লিক করুন। সেখান থেকে সেভ এজ এ ক্লিক করুন। ফাইল নেমের ঘরে ছবির একটি নাম দিন। আমি ফুট বল নাম দিলাম। এর নিচের ঘরে অর্থাৎ সেভ এজ টাইপস এর ঘরে ক্লিক করলে অসংখ্য অপশন পাবেন। সেখান থেকে জিফ গ্রাফিক্স অথবা জেপিইজি ফাইল অথবা পিএনজি প্যোর্টাবেল এর যে কোনো একটিতে ক্লিক করুন। জিফ গ্রাফিক্সে সেভ করা ভালো। এবার সেভ অপশনে ক্লিক করলেই ছবিটি সেভ হয়ে যাবে।



ফটোশপ বা ইলাস্ট্রেটর বা অন্য কোনো সফটওয়্যার বা এপ্লিকেশন ছাড়ায় মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করে পিকচার বা ইমেজের ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ ও পরিবর্তন করে ফাইভার বা আপওয়ার্কের মত মার্কেট প্লেস ব্যাবহার করে আপনি আউটসোর্সিং বা অনলাইন জব করতে পারেন। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ ও পরিবর্তনের পরবর্তী ভিডিও এবং আর্টিকেল পেতে নিচ থেকে সাইটের সাবসক্রাইব অপশনে ক্লিক করে দিবেন। 




Tags:

How to remove background from a photo, Photo background remove, Background remove job, How to remove background in illustrator, How To remove background In Photoshop, How to remove background in power point, how to change picture background, remove bg, remove photo background, remove background, How to remove background, erase photo background, easy way to background change, power point, background remover, Remove photo background in photoshop,photoshop remove background, how to remove photo background in just one click,  erase photo background in mobile, best background remover app, transparent background photoshop, change background photoshop.


 

ডোমেইন ও হোস্টিং কি - বিস্তারিত

ডোমেইন কি এবং হোস্টিং বলতে কি বোঝায়


এখানে যা থাকছে---

  • ডোমেইন কি
  • হোস্টিং কি
  • সাইটে ডোমেইন নেম ব্যবহারের নিয়ম
  • বিশ্বস্ত ডোমেইন ও হোস্টিং প্রভাইডার
  • ডোমেইন ও হোস্টিং এর পার্থক্য

ডোমেইন কি, হোস্টিং কি, সাইটে ডোমেইন নেম ব্যবহারের নিয়ম, বিশ্বস্ত ডোমেইন ও হোস্টিং প্রভাইডার, ডোমেইন ও হোস্টিং এর পার্থক্য
ডোমেইন ও হোস্টিং কি


ডোমেইন ও হোস্টিং সম্পর্কে জানার আগে যা জানা প্রয়োজনঃ

  • সার্ভার কি- যে সার্ভ করে তাকে সার্ভার বলে। ইংরেজি serve শব্দের অর্থ বিতরণ করা। সুতারং server বলতে বিতরণকারী কে বোঝানো হয়ে থাকে। অর্থাৎ যে কোনোকিছু বিতরণ করে সেই সার্ভার। ইন্টারনেটে সার্ভার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যে সমস্ত তথ্য খুজে বের করে চাহিদামত বিতরণ করে থাকে। এজন্য সার্ভার ডাউন হলে সাইট ওপেন হতে সমস্যা দেখা দেয়।
  • সাইট বা ওয়েব সাইট কি- ইন্টারনেটে কোনো তথ্য সংরক্ষণ করে সুন্দর ভাবে প্রকাশ করতে সাইটের প্রয়োজন। প্রতিটি সাইট এক একটি ঘরের অনুরূপ। ঘরে যেমন সবকিছু গোছগাছ করে গোছানো থাকে, তেমনি সাইটে তথ্য গোছানো থাকে। অর্থাৎ, লেখা, ছবি, ভিডিও, সাউন্ড বা নানারকম তথ্য সম্বলিত ইন্টারনেট ভিত্তিক জায়গা বা ঘর বা বাড়ি কে এক একটি সাইট বলে। সাইট কে আবার ওয়েব সাইট বলা হয়ে থাকে। ওয়েব বা ইন্টারনেট ভিত্তিক প্রতিটি সাইট সার্ভার বা কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকে।
  • একটি ওয়েব সাইট বানাতে যা প্রয়োজন- ওয়েব সাইট মূলত তথ্য সম্বলিত ইন্টারনেট ভিত্তিক বাড়ি বা ঘর। বাড়ি তৈরি করে সবকিছু সংরক্ষণ করে রাখতে যেমন জায়গা ও ঘরের প্রয়োজন, সাইট তৈরি করে তথ্যাদি সংরক্ষণ করতে তেমনি জায়গার প্রয়োজন। ইন্টারনেট ভিত্তিক সাইটের তথ্য রাখার এ জায়গা হতে পারে কোনো কম্পিউটার বা সার্ভার। বর্তমানে সাইটের তথ্য সংরক্ষণের জন্য যে সকল প্রতিষ্ঠান সেবা প্রদান করে তাদের হোস্ট বলা হয়ে থাকে। কোনো হোস্ট যে সকল সেবা দেয় তাকে হোস্টিং বলে। অপার দিকে প্রতিটি বাড়ির নির্দিষ্ট ঠিকানা ও নাম থাকে, সাইটের জন্যেও ঠিকানা ও নাম প্রয়োজন। সাইটের ঠিকানা ও নাম কে বলে ডোমেইন।  সুতারং একটি সাইট তৈরি করতে কমপক্ষে দুটি জিনিস আবশ্যক, ডোমেইন এবং হোস্টিং।
  • IP কি- প্রতিটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র, নেটওয়ার্ক, সাইট সহ প্রতিটি ডিজিটাল যন্ত্রের ইন্টারনেটেভিত্তিক নির্দিষ্ট ও সতন্ত্র সংখ্যাযুক্ত ঠিকানা থাকে। এই ঠিকানাকে আইপি ঠিকানা (IP) বা Internet Protocol বলে। আপনি এখন যে মোবাইল/কম্পিউটার ব্যবহার করছেন সেটি যে নেটওয়ার্ক এ আছে তার একটি সংখ্যাভিত্তিক ঠিকানা আছে। সে জন্য আপনি কোথায় আছেন তা Google সহজেই বুঝতে পারে। অর্থাৎ প্রতিটি সাইট বা ডিজিটাল যন্ত্রের ইন্টারনেটে ভিত্তিক ঠিকানাকে IP address বলে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় কোনে দেশের সরকার সেই দেশের সকল আইপি এড্রেস ব্লক করলে সেই দেশ থেকে কেও ইন্টারনেটে প্রবেশ করতে পারবে না। তবে ভিপিএন চালু করে বিদেশি আইপি এড্রেস ব্যবহার করে সহজেই ইন্টারনেটে তখন প্রবেশ করা যাবে। সে ক্ষেত্রে আপনার এলাকা নিজ দেশ না দেখিয়ে যে দেশের আইপি ব্যবহার করছেন সেই দেশের এলাকা দেখাবে।
  • একটি সাইট কিভাবে গঠিত হয়- হোস্টিং সাইটে বা কম্পিউটারে তথ্যাদি রেখে এর সাথে একটি ডোমেইন নেম বা একটি সাইটের জন্য তৈরি করা নাম যুক্ত করে দিলে এর সমন্বিত রূপ মিলে সাইট গঠিত হয়। অর্থাৎ হোস্টিং এর জন্য রাখা তথ্যের সাথে সেই তথ্যের জন্য ব্যবহার করা নাম বা ঠিকানা যুক্ত করলে এ দুইয়ের মিলিত রূপকে একটি সাইট বলে।



হোস্টিং কি বা কাকে বলেঃ

ইংরেজি Host অর্থ আমন্ত্রনকারী বা নিমন্ত্রণকারী। অর্থাৎ Hosting বলতে আমন্ত্রণ বা নিমন্ত্রণ করে কিছু পরিবেশন করা কে বোঝায়। কোনো সাইটের তথ্য কে দর্শক বা ভিজিটর দের নিকট পরিবেশন করতে যে কম্পিউটার বা সার্ভার দায়িত্ব পালন করে সেই প্রক্রিয়াকে Hosting বলে। যে কম্পিউটার বা সার্ভার বা সাইট এই দায়িত্ব পালন করে তাকে Host সাইট বা Host কম্পিউটার বলে। ইন্টারনেটে রাতবেরাত ভিজিটররা আসতে পারে। ফলে হোস্ট কম্পিউটার কে সবসময় ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকতে হয়। নিজের কম্পিউটার এ সাইটের তথ্য রেখে নিজের কম্পিউটার এর মাধ্যমে হোস্টিং করা যায়। কিন্তু নিজের কম্পিউটার সবসময় ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত রাখা সম্ভব হয় না। এই সমস্যার সমাধানের জন্য হোস্ট বা হোস্ট কম্পিউটার ভাড়া করার প্রয়োজন হয়ে থাকে। ইন্টারনেট জগতে অসংখ্য হোস্টিং সাইট বা কম্পিউটার রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে হোস্টিং সেবা প্রদান করে থাকে। অর্থাৎ হোস্ট কম্পিউটার এর কাজ হল সাইটের তথ্য গুলোকে সংরক্ষণ করে রাখা এবং সবসময় ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা। হোস্ট কম্পিউটার বা প্রতিষ্টান যে সকল সেবা প্রদান করে তাকে হোস্টিং বলে। একটি সাইট তৈরির প্রথম কাজ হলো হোস্টিং সাইট বা কম্পিউটারে সাইটের তথ্য রাখার জন্য জায়গা বা মেমরি ক্রয় করা। হোস্টিং সাইট বা কম্পিউটারে যে পরিমাণ জায়গা ক্রয় করা হবে শুধুমাত্র সেই পরিমাণ অক্ষর, বর্ণ, ছবি, ভিডিও, সাউন্ড বা তথ্য সাইটের জন্য রাখা যাবে যা ভিজিটররা ইন্টারনেট ব্যবহার করে দেখতে পারবে। হোস্টিং সাইট থেকে প্রয়োজনীয় মেমরি বা জায়গা ক্রয়ের পর সেখানে সাইটের সকল তথ্য রাখার পর ২য় কাজ হলো এই সংরক্ষিত জায়গার একটি নাম বা ঠিকানা দেওয়া। যাতে ভিজিটররা সহজে হোস্ট কম্পিউটারে রাখা সাইটের তথ্য দেখতে পারে। হোস্টিং এর জন্য সংরক্ষিত তথ্যের এই নাম ঠিকানা দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলে Domain Name দেওয়া যা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হয়েছে। হোস্টিং সাধারন্ত অর্থের বিনিময়ে করা হয়। তবে বর্তমানে অর্থ দিয়ে সাইটের তথ্য রাখার পাশাপাশি কিছু ফ্রি সাইট বা প্রতিষ্ঠান আছে যারা তাদের কম্পিউটারে সাইটের তথ্য রাখার জন্য ফ্রি বা বিনামূল্যে সুবিধা দিয়ে থাকে। বিশ্বস্ত ও ফ্রি Google এর একটি হোস্টিং সেবা হলো blogger এর মাধ্যমে হোস্টিং সেবা দেওয়া। সাইট তৈরি করতে এবং সাইটের তথ্য ফ্রিতে সংরক্ষণ ও হোস্টিং সেবা ফ্রিতে পেতে Blogger এ সাইন আপ করা যেতে পারে। Blogger এ সাইন আপ করতে এখানে ক্লিক করুন>>> অথবা, বিশ্বস্ত হোস্টিং প্রভাইডার Dianahost থেকে হোস্টিং ক্রয় করতে এখানে ক্লিক করুন>>>



ডোমেইন কি বা কাকে বলেঃ

ইংরেজি Dome অর্থ প্রাসাদ, বাড়ি বা গম্বুজ। Dome  থেকে এসেছে Domain অর্থ রাজ্য বা এলাকা। প্রতিটি এলাকার নির্দিষ্ট নাম ও ঠিকানা থাকে। সুতারং ডোমেইন বলতে কোনো সাইটের নির্দিষ্ট নাম ও ঠিকানাকে বোঝায়। একজনের নাম ঠিকানা  অপর জনের নাম ঠিকানা থেকে আলাদা থাকে। সেইরূপ প্রতিটি ডোমেইন নেম (Domain name) বা সাইটের নাম ঠিকানা অন্যটি থেকে আলাদা থাকে। এটি সতন্ত্র। ডোমেইন নেম মূলত আইপি(IP) নেম এর  আক্ষরিক প্রকাশ। আইপি নেম বা আইপি এড্রেস হচ্ছে একটি সতন্ত্র সংখ্যাভিত্তিক ঠিকানা বা নাম। আইপি এড্রেস মনে রাখা বেশ কঠিন বিধায় প্রতিটি আইপি এড্রেসের বিপরীতে যে আক্ষরিক নাম প্রদান করা হয় তাকে ডোমেইন নেম বলে। ইন্টার নেট বা ওয়েব জগতে সাইটের নাম ইচ্ছা করলেই ইচ্ছা মাফিক দেওয়া যায় না। যদি কোনো নামে অন্য কোনো সাইটের নাম না থাকে তবেই দেওয়া সম্ভব হয়। এছাড়া সাইটের নাম প্রদানের জন্য ইন্টারনেটে অসংখ্য সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসকল সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান কে ডোমেইন প্রভাইডার (Domain Provider) বলে। Domain provider দের নিকট থেকে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে নিজের পছন্দ মাফিক এবং সেই নামে অন্য কোনো সাইটের নাম না থাকলে Domain name ক্রয় করা যায়। উদাহরণ হিসেবে বলতে গেলে www.1timeschool.com আমাদের সাইটের ডোমেইন নেম এবং আমাদের সাইটের আইপি এড্রেস হচ্ছে 216.239.34.21 । অর্থাৎ 216.239.34.21 এই সংখ্যা ভিত্তিক এড্রেসের পরিবর্তে সাইট এড্রেস বা ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হচ্ছে www.1timeschool.com। এই নামে ক্লিক করলে বা ব্রাউজারে সার্চ করলে আমাদের তথ্য যেখানে রাখা আছে সেই হোস্টিং সাইটে নিয়ে যাচ্ছে এবং সেখানে রাখা তথ্য আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। আমাদের ডোমেইন নেমটি Dianahost নামে একটি বাংলাদেশি বিশ্বস্ত প্রভাইডারের নিকট থেকে ক্রয় করা হয়েছে এবং Blogger এর মাধ্যমে ফ্রিতে হোস্টিং করা হচ্ছে। Dianahost থেকে ডোমেইন নেম এবং সাথে হোস্টিং এর জন্য জায়গা ক্রয় করতে এখানে ক্লিক করুন>>>



হোস্টিং সাইটে ডোমেইন নেম যুক্ত করার নিয়মঃ

ডোমেইন প্রভাইডার দের নিকট থেকে ডোমেইন নেম ক্রয় বা কেনার পর তা সাইটে যুক্ত করতে হয়। সাইট বা সাইটের তথ্য সাধারণত থাকে হোস্টিং এ। যে প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে হোস্টিং ক্রয় করা হয়েছে, সেই প্রতিষ্ঠানের সাথে ডোমেইন নেম যুক্ত করে দিতে হয়। হোস্টিং এর জন্য মেমরি বা জায়গা ক্রয় অর্থ জমি কেনা আর এতে ডোমেইন নেম যুক্ত করা অর্থ জমির নাম প্রদান করা। প্রতিটি হোস্টিং এর নির্দিষ্ট আইপি এড্রেস বা সংখ্যা ভিত্তিক ঠিকানা থাকে। সেই সংখ্যা ভিত্তিক ঠিকানা ডোমেইন যেখান থেকে কেনা হয়েছে সেই প্রভাইডারের সাইটে প্রবেশ করে যুক্ত করে দিলেই হোস্টিং এর সাথে ডোমেইন নেম যুক্ত হয়ে যায়। অবশ্য হোস্টিং এর সাথে ডোমেইন যুক্ত করার আরো কিছু নিয়ম রয়েছে যা নিয়ে অন্য কোনো লেখায় বা আর্টিকেলে বর্ণনা করা হবে। ডোমেইন নেমে ভিজিটররা ক্লিক করলে তা হোস্টিং এ রাখা সাইটের তথ্যে নিয়ে যায় এবং ব্যবহারকারীরা দেখতে পায়।



ডোমেইন ও হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্যঃ

  • ১. একটি সাইটের নাম কে বলা হয় ডোমেইন নেম বা সংক্ষেপে ডোমেইন। অপার দিকে একটি সাইটের তথ্য রেখে সর্বদা ইন্টারনেটে যুক্ত থাকার জন্য যে জায়গা ব্যবহার করা হয় তাকে হোস্টিং বলে।
  • ২. হোস্টিং বা সাইটের তথ্যের সাথে ডোমেইন নেম যুক্ত করে তা ব্যবহারকারীদের দেখানো হয়। অপার দিকে ডোমেইনের সাথে হোস্টিং এর জন্য রাখা তথ্য যুক্ত করে তা ব্যবহারকারীদের দেখানো হয়।
  • ৩. ডোমেইন নেম সাইটের ঠিকানা প্রদান করে। হোস্টিং সাইটের তথ্য সংরক্ষণ করে।
  • ৪. ডোমেইন শুধুমাত্র একটি নাম। হোস্টিং মূলত তথ্য সংরক্ষণ ও প্রকাশের প্রক্রিয়া।
  • ৫. ডোমেইন যদি একটি বাড়ির নাম বা ঠিকানা হয় তবে হোস্টিং হচ্ছে সেই বাড়ির প্রতিটি ঘর, তাক, আলমারি, খাট ও আসবাবপত্র সহ গুদাম ঘর।
  • ৬. মানুষের সাথে তুলনা করলে ডোমেইন মানুষের নাম এবং হোস্টিং মানুষের শরীর।
  • ৭. ডোমেইন নেম ছাড়া সাইটের তথ্যকে খুজে পাওয়া যায় না। হোস্টিং ছাড়া শুধু ডোমেইনের কোনো মূল্য নেই।

শনিবার

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি এর উপাদান ও ব্যবহার


ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কাকে বলে (Virtual Reality), এর উপাদান, গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও ব্যবহার।


ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি, উপাদান, গুরুত্ব, ব্যবহার
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি


ভার্চুয়াল - অর্থঃ

ইংরেজী ভার্চুয়াল (Virtual) শব্দের বাংলা আভিধানিক অর্থ কাল্পনিক, কল্পিত, ভাবনাযুক্ত বা ধারণা করা হয় এমন। 


রিয়েলিটি - অর্থঃ

রিয়েলিটি (Reality) শব্দের আভিধানিক অর্থ বাস্তব, সত্য বা অস্তিত্ব আছে এমন।


ভার্চুয়াল রিয়েলিটিঃ

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অর্থ কল্পিত-বাস্তব। আমাদের বাস্তব জগৎ বা বাস্তব জগতের বাইরে যাকিছু কল্পনা করা সম্ভব তার বাস্তব রূপদান হল ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। অর্থাৎ কল্পিত কোন বিষয়কে দৃশ্যমান আকারে উপাস্থাপন বা বর্ননা করাকেই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে। বর্তমানে 3D বা তৃতীয় মাত্রার ছবি ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অন্যতম ব্যবহার।


আমরা নভো-থিয়েটারের নাম শুনেছি নিশ্চয়। নভোমণ্ডল বা গ্রহ, উপগ্রহ, চন্দ্র, সূর্য্য বা নভো জগৎ বাস্তবে যেরূপ ঘটে সেরূপ উপস্থাপন করে দেখানো হয় নভ-থিয়েটারে। এখানে একটি উপগ্রহ কোন গ্রহ কে কেন্দ্র করে বা কোন এক গ্রহ সূর্য্য কে কেন্দ্র করে কিভাবে ঘুরছে, একে অপরের মধ্যে কিভাবে কাজ করছে তা বাস্তব জগতের মত উপস্থাপন করা হয়। এটিই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া অর্থাৎ কল্পিত বা বাস্তবে ঘটে এমন বা অবাস্তব কোন কল্পনাকে এমন ভাবে উপস্থাপন করা যেন তা বাস্তবেই ঘটছে। অতীতের কোন বিষয়, ভবিষ্যতে কিছু ঘটবে এমন বা বর্তমানে কিছু ঘটছে বা ঘটে এমন কোন বাস্তব বা অবাস্তব কোন কল্পনাকে বাস্তবের মতই তুলেধরা হল ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। তাই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল কল্পিত বাস্তব।


ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানঃ

কোন কল্পনাকে বাস্তব আকারে উপস্থাপন করতে কয়েকটি উপাদানের সমন্বয় প্রয়োজন। উপাদান গুলো হল-

  • ১. টেক্সট বা ছবি
  • ২. এনিমেশন বা ভিডিও
  • ৩. শব্দ বা সাউন্ড

টেক্সট বা ছবি- সাধারন্ত কোন কল্পনাকে জীবন্ত করতে টেক্সট, অক্ষর বা ছবির ভূমিকা ব্যাপক।  ছবি ছাড়া কল্পনাকে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।


এনিমেশন বা ভিডিও- এনিমেশন  ও ভিডিও মূলত চলন্ত ছবি। কোন দৃশ্যকে জীবন্ত করতে এনিমেশন বা ভিডিওর বিকল্প নেই। কোন টেক্সট বা ছবিকে জীবন্ত করে উপস্থাপন করতেই এনিমেশন বা ভিডিও ব্যবহার করা হয়।


শব্দ বা সাউন্ড- কোন ছবি বা ভিডিও বা দৃশ্যকে প্রকৃত জীবন্ত করে তুলতে শব্দ বা সাউন্ড প্রয়োজন।  তাই শব্দ বা সাউন্ড ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অন্যতম উপাদান।


ভার্চুয়াল রিয়েলিটির গুরুত্ব ও ব্যবহারঃ

দৈনন্দিন জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার ব্যাপক ও বিস্তৃত। মোবাইল, কম্পিউটার, প্রজেক্টর, টিভি ইত্যাদি আবিষ্কারের ফলে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির দুনিয়া সর্বত্র ছড়িয়ে গেছে। 


শিক্ষা ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এনেছে শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যপক পরিবর্তন।  নানারকম শিক্ষা কন্টেন্টের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান, শিক্ষা ব্যবস্থাকে করে তুলেছে সহজ ও আধুনিক।


চিকিৎসা শাস্ত্রে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার চিকিৎসা ব্যবস্থাকে করেছে উন্নত। অপারেশন প্রক্রিয়া, প্রাণী অঙ্গ প্রতঙ্গের কার্যাবলী জীবন্ত আকারে তুলে ধরে অপারেশনের পূর্ব মহড়া ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে গবেষণা খুব দ্রুত আর নিখুঁত ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির কল্যানে। হার্টের নড়াচড়া, কিডনির ছাকন প্রক্রিয়া ভার্চুয়াল রিয়েলিটির কল্যানেই আজ জীবন্ত আকারে দেখা ও তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে।


সামরিক ক্ষেত্রে দিন দিন ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুদ্ধের পূর্ব প্রস্তুতি, কৃত্রিম যুদ্ধ মহড়া এমনকি আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ও চালনা প্রক্রিয়া সৈন্যদের নিকট খুব সহজে উপস্থাপন ও কৌশলী হতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার সামরিক ব্যবস্থায় বিস্তার লাভ করছে। অস্ত্র তৈরী ও পূর্বানুমান করতেও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার হয়। শত্রু সৈন্যদের অবস্তান, কিভাবে টার্গেট করতে হবে অর্থাৎ যুদ্ধের পূর্ব প্রস্তুতি জীবন্ত আকারে দেখা ও বোঝার মাধ্যমে কৌশলী হওয়া ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অন্যতম উদাহরন।


কৃষি ক্ষেত্রে দিন দিন ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার বাড়ছে। কৃষি যন্ত্রপাতির মানোন্নয়ন,  ফলাদি বপন ও কর্তন প্রক্রিয়া কৃষকদের মাঝে পূর্ব থেকেই জানিয়ে দিতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার হচ্ছে।


যন্ত্রপাতির আবিষ্কার, বিনোদন সহ দৈনন্দিন জীবনের সর্বোত্র আজ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। নানারকম কার্টুন ও এনিমেশনের মাধ্যমে বিনোদন ও মানুষের চিন্তা চেতনাকে উন্নয়ন কল্পে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এক অনন্য ভূমিকা পালন করছে।


আশাকরি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সম্পর্কে আমরা বুঝতে পেরেছি। আমরা যে কার্টুন দেখি, গেম খেলি তা ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অন্যতম উদাহরন।  ছবি বা টেক্সট, ভিডিও বা এনিমেশন আর সাউন্ডে এই ৩ ধরনের উপাদানের সমন্বয়ে এগুলো তৈরী হয় বলে এসকল কন্টেন্ট বা ছবিকে 3D ছবিও বলা হয়ে থাকে। আইসিটিতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার ব্যাপক ও বিস্তৃত।


আজ এ পর্যন্তই। আবার হাজির হব অন্য কোন বিষয় নিয়ে। আপনারা কোন বিষয় সম্পর্কে জানতে আগ্রহী বা আপনাদের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কমেন্ট করলে আমরা বিষয়টি তুলে ধরতে পারব।


সকলের শুভকামনায় আজ বিদায়।

কে-মাহমুদ
২৪-১০-২০২০